২৪ ফেব্রুয়ারি ভারতে আসছেন আমেরিকার মহামহিম প্রেসিডেন্ট। ভারত চেষ্টা করে যাচ্ছে আমেরিকাকে নরম করার। পাকিস্তানের সন্ত্রাসবাদী কাজ নিয়ে যাতে ডোনাল্ড ট্রাম্প স্পষ্ট কথা বলেন, যাতে ইমরান খানের ওপর চাপ সৃষ্টি করেন। আফগানিস্তান থেকে যথাসম্ভব সেনা সরাতে চাইছে আমেরিকা, সেক্ষেত্রে পাকিস্তানের সহায়তা জরুরি। কিছু কড়া বার্তা মাঝেমধ্যে ট্রাম্প সরকারের কর্তারা দিলেও, স্বয়ং ট্রাম্প উল্টো পথে। বেশ কয়েকবার বলেন, ভারত ও পাকিস্তানের কাশ্মীর প্রসঙ্গে বিবাদ মেটাতে তিনি মধ্যস্থতা করতে প্রস্তুত। ভারতের বক্তব্য পরিষ্কার, কাশ্মীর দ্বিপাক্ষিক বিষয়, কোনও তৃতীয় পক্ষের অংশগ্রহণ মানা হবে না। বাণিজ্যের ক্ষেত্রে আমেরিকা ভারতকে আগের সুবিধা দিতে নারাজ। খবর ছিল, মার্কিন প্রেসিডেন্টের আসন্ন সফরে কিছু চুক্তি হবে, যা মোদি সরকারকে সুবিধা দেবে। ট্রাম্প পরিষ্কার বলে দিয়েছেন, আসন্ন সফরে কোনও বাণিজ্যিক চুক্তি হবে না। তবু, আমেরিকার আশীর্বাদ চাওয়া হচ্ছে। তাঁকে যথাসম্ভব খুশি রাখতে হবে। ‘‌নমস্তে ট্রাম্প’‌ অনুষ্ঠান হবে আমেদাবাদে। প্রশ্ন উঠেছে, শুধুমাত্র গুজরাটে কেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট?‌ তিনি আমেদাবাদে থাকছেন মোট তিন ঘণ্টা। কত খরচ?‌ দেশের জনসংখ্যার সমান, ১৩০ কোটি!‌ মোতেরা স্টেডিয়ামে যাতে লক্ষাধিক মানুষ আসেন, জয়ধ্বনি দেন, বিপুল খরচ। বিমানবন্দর থেকে স্টেডিয়ামে যাতায়াতের পথে যাতে কোনও অস্বস্তিকর দৃশ্য না দেখেন প্রেসিডেন্ট, তোলা হয়েছে সুদৃশ্য দেওয়াল। পথে, পাশে বস্তি, যার হাল শোচনীয়। গুজরাট মডেলের আশ্চর্য উদাহরণ। শুধু দেওয়াল তোলা নয়, ২০০ বস্তিবাসীকে উচ্ছেদের নোটিস দেওয়া হয়েছে, কোনও ক্ষতিপূরণ নয়। কী দেখাতে চাইছেন মোদি, ভারত, মডেল গুজরাট মালিন্যমুক্ত?‌ দারিদ্র‌মুক্ত?‌ ১৩০ কোটি টাকা ব্যয়ে?‌‌‌

জনপ্রিয়

Back To Top