মান‌ব সম্পদ মন্ত্রক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শিক্ষার দায়িত্বে। শিক্ষাসচেতন মানুষের জানার আগ্রহ থাকে, কে হবেন মানবসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রী। ২০১৪ সালে এই দায়িত্ব প্রধানমন্ত্রী দিয়েছিলেন স্মৃতি ইরানিকে। সঙ্ঘ পরিবারের শিক্ষানীতি রূপায়ণে কাজ চলছিল। গন্ডগোল বাধল তাঁর নিজের ‘‌শিক্ষা নিয়ে’‌।‌ প্রার্থী হওয়ার হলফনামায় প্রথমে জানিয়েছিলেন, তিনি আমেরিকার ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয়ের ডক্টরেট। জানা গেল, না। পরে একবার জানালেন, তিনি স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী। ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয়ে কয়েকদিনের একটা কোর্স করেছিলেন। স্নাতকোত্তর ডিগ্রি?‌ না। স্নাতকই নন। শেষমেশ জানা গেল, নিজেই সাম্প্রতিক হলফনামায় তথ্য দিলেন, তিনি উচ্চমাধ্যমিক পাশ। স্মৃতি ইরানিকে সরানো হয়েছিল বস্ত্র মন্ত্রকে। এবার আমেঠি কেন্দ্রে রাহুল গান্ধীকে হারানোয় প্রমোশন হয়েছে। এবার কে মানবসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রী?‌‌ রমেশ পোখরিয়াল নিশঙ্ক। 
আধুনিক, যুগোপযোগী শিক্ষায় তিনি কতটা আগ্রহী ও যোগ্য?‌ প্রভূত!‌ ২০১৪ সালেই সাংসদ হয়েছিলেন। সংসদে দাঁড়িয়ে বলেছিলেন, ‘‌বিজ্ঞানের চেয়ে জ্যোতিষশাস্ত্র অনেক বেশি বিশ্বাসযোগ্য, অনেক বেশি প্রমাণিত।’‌ সেই তিনি দপ্তরের মন্ত্রী। সঙ্ঘ পরিবারের বিজ্ঞানবিরোধী ভাবনাচিন্তাকে প্রচারিত করার কাজ নিশ্চয় করে যাবেন। ভরসা আছে বলেই তো মন্ত্রী করা। বলতে পারেন, মানুষ ভাবতে পারেন, তিনি তো আর স্মৃতি ইরানির মতো নন, নিশ্চয় উচ্চশিক্ষিত, যেমন ছিলেন মুরলীমনোহর যোশি। ডক্টরেট, বলেন। কোথা থেকে?‌ কলম্বো ওপেন ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি। ভারতীয় দূতাবাসই জানিয়েছে, সেই নামে অনুমোদিত বিশ্ববিদ্যালয় নেই। নিশঙ্ক বলেন, তিনি দু’‌বার ডক্টরেট পেয়েছেন। একবার বিজ্ঞানে, একবার কলা বিভাগে!‌

জনপ্রিয়

Back To Top