‌দেশে বিরোধীরা বিভক্ত। মমতা ব্যানার্জি ও সোনিয়া গান্ধীর উদ্যোগ সত্ত্বেও সমস্যাটা থেকে যাচ্ছে। দুই নেত্রীর ডাকে যেদিন বিরোধী মুখ্যমন্ত্রীদের আলোচনা হল, কেরলের পিনারাই বিজয়ন উপস্থিত ছিলেন না। পরীক্ষার ব্যাপারে, যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামো রক্ষার ইস্যুতে একমত থাকলেও কেন অনুপস্থিতি, প্রশ্ন থেকে যায়। এই সঙ্কটকালে সবার আগে বিধানসভা ভোট বিহারে। নীতীশ কুমারের সরকারের বিরুদ্ধে অনেক অভিযোগ। ব্যর্থতার। আইন–‌শৃঙ্খলার ক্ষেত্রেও নীতীশের বহুলপ্রচারিত দাবি নস্যাৎ হয়ে গেছে। নোটবন্দি এবং জিএসটি মানুষকে দুর্গতির মধ্যে ফেলেছে। সংক্রমণের বিরুদ্ধে রাজ্যের ভুলত্রুটি প্রকাশ্যে এসেছে। শুধু কৃষক–শ্রমিক নয়, চাকরিজীবীরাও‌ চূড়ান্ত সমস্যায়। বিজেপি–‌র সাম্প্রদায়িক প্রচার এই মুহূর্তে সফল হওয়ার পরিস্থিতি নেই। যদি বিরোধীরা কিছুটা শক্তিশালী হতেন, জোটের ক্ষেত্রে আন্তরিক হতেন, নেতৃত্ব স্পষ্ট থাকত, বিজেপি–‌জেডিইউ জোটের জয় সহজ থাকত না। তাহলে কি বলতে হবে যে, নীতীশদের জয় অনিবার্য?‌ না। প্রথমত, আগেই যা বলা হয়েছে, এখন সাম্প্রদায়িক প্রচার কাজ দেবে না। দুই, নীতীশের সুনাম বেশ কিছুটা কমেছে। তিন, মানুষ অশেষ দুর্গতির মধ্যে পড়েছেন। প্রধান বিরোধী দল আরজেডি–র‌ হাল তেমন ভাল নয়। তেজস্বী যাদব শুরুটা ভাল করলেও, নিস্তেজ হয়েছেন। দাদা তেজপ্রতাপ দলের মধ্যে ঝামেলা পাকানোয় ব্যস্ত। কংগ্রেস এবং দুই বাম দল আরজেডি–‌র সঙ্গে থাকবে। বড় দল নয়, তাই সিপিআই–‌এর কানহাইয়া কুমারকে সামনে রাখা হবে না। তেজস্বীর আপত্তি। দেখা যাচ্ছে, ময়দানে না থেকেও আসল নেতা বন্দি লালুপ্রসাদ।‌‌‌

জনপ্রিয়

Back To Top