জয়েন্ট এন্ট্রান্স (‌মেইন)‌ পরীক্ষা ৭ রাজ্যের এবং অগণিত পড়ুয়ার প্রতিবাদ সত্ত্বেও হল। হচ্ছে। দাবিটা কী ছিল?‌ হোক, কিন্তু সংক্রমণ বৃদ্ধির সময়ে নয়, কিছু পরে। কেন্দ্র মানল না। কেন্দ্রের বক্তব্য মানল সুপ্রিম কোর্ট। শিক্ষামন্ত্রী রমেশ পোখরিয়াল বলেছেন, ৯০ শতাংশ পরীক্ষার্থীই অ্যাডমিট কার্ড তুলেছেন। বোঝা যাচ্ছে, প্রমাণিত হল, পড়ুয়াদের আপত্তি নেই। তঁারা প্রস্তুত। কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর বক্তব্য নিয়ে পরে আসছি। আগে দেখা যাক, প্রথম দিনেই কী হয়েছে। অনেক পরীক্ষার্থী বলেন, এত ঝঁুকি নিয়ে পরীক্ষা দিতে হল, পিছিয়ে করলে ভাল হত। পুরো মন লাগিয়ে পরীক্ষা দেওয়া গেল না। কিছু সতর্কতা বিধি থাকলেও, দুশ্চিন্তা, এভাবে পরীক্ষা দিতে আসার জন্য, বসতে হওয়ার জন্য, কয়েক দিন পর সংক্রমিত হতে হবে কিনা। পড়ুয়াদের সঙ্গে পরীক্ষাকেন্দ্রে এসেছিলেন অভিভাবকরা। কিছু ভিড় হয়েছে। স্বাভাবিক। কয়েক জন পড়ুয়া বললেন, বাড়িতে প্রবীণরা আছেন, পরীক্ষা দিতে হওয়ায় দুশ্চিন্তা থাকল। অনেকে পরীক্ষাকেন্দ্রে আসতেই পারেননি। পরীক্ষাকেন্দ্র প্রধানত কলকাতা, দুর্গাপুর ও শিলিগুড়ি। ৩০০ কিলোমিটার দূর থেকেও যেতে হয়েছে। গাড়িভাড়া প্রচুর, অনেকে যেতে পারেননি। এত ঝঁুকি কয়েকজন নিতে পারেননি। কিছু রাজ্যে বন্যা, পরীক্ষার্থীরা পরীক্ষাকেন্দ্রে পৌঁছতে পারেননি। এঁদের জন্য কী ভাবছে কেন্দ্র?‌ রমেশ পোখরিয়াল বললেন, প্রায় সবাই অ্যাডমিট কার্ড তোলায় প্রমাণিত হল, ওঁদের আপত্তি নেই। আসলে, বাধ্য। পরীক্ষা যখন দিতে হবেই, অ্যাডমিট কার্ড তুলবেন না?‌ ‌‌‌

জনপ্রিয়

Back To Top