রাহুল গান্ধী মাঝেমধ্যে উল্টোপাল্টা কথা বলে ফেলেন। এবার যা বললেন, নির্ভুল। ১৪ মার্চ পুলওয়ামা কাণ্ডের বর্ষপূর্তির দিন টুইট করেছেন, দুঃখজনক ঘটনায় কাদের সবথেকে লাভ হয়েছিল?‌ ৪০ জন সিআরপিএফ জওয়ানের মৃত্যু। অন্ধকার নেমে এল ৪০ পরিবারে। পুলওয়ামাকে ব্যবহার করে যুদ্ধ–‌জিগির তথা সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা তৈরি করল বিজেপি। নেতা মোদি, শোচনীয় ঘটনার দিন যিনি জিম করবেট পার্কে শুটিং করছিলেন। প্রথম প্রতিক্রিয়া ৪ ঘণ্টা পরে। পুলওয়ামা ঘটতে দিয়ে, বালাকোট ঘটিয়ে নির্বাচনী উত্তেজনা সাফল্যের সঙ্গে ছড়ালেন মোদি। কয়েকটা প্রশ্ন জেগে আছে। প্রথম, গোয়েন্দা সূত্রে সাতদিন আগে খবর ছিল, বড় জঙ্গি হানা ঘটতে পারে। কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি কেন?‌ দুই, কাশ্মীরে নজর রাখা হয় সব বাড়িতে, সব জায়গায়। তার মধ্যে কী করে ৩৩০ কেজি আরডিএক্স জড়ো হয়ে গেল?‌ গাড়ির মালিককে এখনও খুঁজে পাওয়া গেল না কেন?‌ পেলে, চক্রান্ত ধরা পড়ে যেত?‌ সন্দেহ আছে?‌ তিন, কাশ্মীরে জওয়ানদের এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় যাওয়ার জন্য বিমানের ব্যবস্থা করার কথা। প্রতিরক্ষা মন্ত্রক থেকে সুপারিশ করা হয়েছিল। ফারুক আবদুল্লা লিখিতভাবে বলে গেছেন, প্রয়োজনে যেন বিমানের ব্যবস্থা হয় জওয়ানদের জন্য। তবু, বাস কেন?‌ আড়াই হাজার জওয়ানকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলে দেওয়া হল কেন?‌ একসঙ্গে নিয়ে যাওয়ার কথা ভাবা হল কেন?‌ চার, মাঝপথে বাসগুলো বদল করা হল কেন?‌ জঙ্গিদের সুবিধা করে দেওয়ার জন্য?‌ পাঁচ, জওয়ানদের কোনও জায়গায় নিয়ে যাওয়ার জন্য, উল্টো দিকের সমান্তরাল রাস্তা বন্ধ করে দেওয়া হয়। হয়ে থাকে। সেই ১৪ মার্চ উল্টোদিকের রাস্তাটা খুলে রাখা হল কেন?‌ পাঁচটি প্রশ্নের কোনও জবাব নেই। ঘটানো হয়েছিল, ঘটতে দেওয়া হয়েছিল, দু’‌মাস পরের লোকসভা নির্বাচনের কথা ভেবে।‌

জনপ্রিয়

Back To Top