কিছু ভাল দিক

‌বিজেপি যেভাবে কার্যত স্বৈরতান্ত্রিক শাসন চালু করতে চাইছে দেশে, ভাল কিছু পাওয়া কঠিন। মহারাষ্ট্রে সব ষড়যন্ত্র ব্যর্থ করে কাজ করে যাচ্ছে উদ্ধব ঠাকরে সরকার। বিহারে তুমুল লড়াই করে জয় প্রায় ছিনিয়ে নিয়েছিল বিরোধী জোট। কৃষকদের দিল্লি অবরোধ ঐতিহাসিক জায়গায় পৌঁছেছে। এরই মধ্যে হল মহারাষ্ট্র এবং উত্তরপ্রদেশে বিধান পরিষদ নির্বাচন। হায়দরাবাদে হয়ে গেল পুরভোট। বিধান পরিষদ ভোটে অনেকটা ভূমিকা শিক্ষক, স্নাতকদের। মহারাষ্ট্রের ৬টি কেন্দ্রে ভোট হল। বিজেপি পেয়েছে মাত্র একটিই আসন। রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক দলের সদর দপ্তর নাগপুরে। নাগপুর থেকেই অনেক বছর জিতে এসেছেন বিজেপি–‌র নেতা নীতিন গাডকারি। ‘‌সদর দপ্তরে’‌ হেরে গেল বিজেপি। ৬–‌এর মধ্যে ১ পেয়ে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিশ বলেছেন, ‘‌এরকম হতে পারে, ভাবতেই পারিনি। দেখতে হবে, কোথায় ভুল হল আমাদের।’‌ উত্তরপ্রদেশে বিধান পরিষদ নির্বাচন ছিল ১১টি কেন্দ্রে। একচ্ছত্র রাজ্যে, তবু মাত্র ৫টিতে জিতেছে বিজেপি। উল্লেখ্যযোগ্য, স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির লোকসভা কেন্দ্র বারাণসীতে ২টি আসনেই হার বিজেপি–‌র, জিতেছে সমাজবাদী পার্টি। হায়দরাবাদ পুরসভা নির্বাচনও এবার ভিন্ন মাত্রায় পৌঁছে গিয়েছিল। পুরভোটে সাধারণত কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বা নেতারা প্রচার করেন না। হায়দরাবাদে গেলেন ৮ জন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। প্রবল প্রচার। বিপুল খরচ। যোগী আদিত্যনাথ, দেশের বৃহত্তম রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী, পুর প্রচারে‌ গেলেন বিজেপি সভাপতি জেপি নাড্ডা। ১৫টি সভা। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ঘঁাটি গেড়ে বসলেন, শহর দখল করতেই হবে। হল না। কিছু আসন বেড়েছে, পুরসভা দখলে আসেনি।‌‌‌