মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির নেতৃত্বে কত কত ভাল কাজ হচ্ছে, বিরোধীরা বলেন না। বেশ। বিরোধিতা করাই বিরোধীদের ‌দায়িত্ব, করুন। তবু, ব্যতিক্রমী ক্ষেত্রে একটু ভাল বললে ক্ষতি হবে না। শিক্ষা ক্ষেত্রে ভাল কাজ হচ্ছে না, বহু গলদ, বলে চলেন মহামান্য রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। তথ্য দিয়ে তিনি বলেন না। তাহলে তথ্য দিয়ে জবাব দেওয়া যেত। নতুন সরকার আসার পর, তুমুল সমালোচনা। কলেজে অধ্যক্ষরা আক্রান্ত হচ্ছেন তৃণমূল ছাত্র পরিষদের কর্মীদের হাতে। হওয়া উচিত নয়। উচ্চশিক্ষামন্ত্রী বসে থাকেননি। শিক্ষা দপ্তর বসে থাকেনি। তৃণমূল নেত্রী বসে থাকেননি। স্পষ্ট নির্দেশ অধ্যক্ষদের ওপর আক্রমণ চলবে না। হয়েছিল চার–পাঁচটি কলেজে, কিন্তু প্রচার এমন জায়গাতে পৌঁছয়, যেন শত শত কলেজে অধ্যক্ষরা আক্রান্ত হচ্ছেন। একটি কলেজেও হলে, দুঃখজনক। শিক্ষামন্ত্রী সক্রিয় হলেন। তৃণমূল কড়া হল। গত তিন বছরে একটা ঘটনা ঘটেনি, একটাও নয়। অসুখ হলে ওষুধ দিয়ে সারাতে হয়। সারানো হয়েছে। ছাত্র ভর্তি নিয়ে অভিযোগ ছিল। হাজার হাজার টাকা নিয়ে নাকি ভর্তি হতে হচ্ছে। টাকা তোলার কুকাজে টিএমসিপি নেতারা, অনেক খবর প্রচারিত হল। মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল নেতৃত্ব বসে থাকলেন না। প্রথমে পুলিশকে বলা হল, যিনিই যুক্ত থাকুন, কড়া ব্যবস্থা নিতে হবে। একাধিক টিএমসিপি কর্মী গ্রেপ্তার। তারপর, অনলাইনে ভর্তির ব্যবস্থা। ক্লাস করার সময় কলেজে গেলেই চলবে। সমালোচনা বন্ধ হল, কারণ একটি ঘটনাও ঘটল না, যাতে সমালোচনা করা যায়। মাধ্যমিকে প্রশ্নপত্র ফাঁস। পুরনো অসুখ। দু’‌বছর আগে থেকে কঠোর মাধ্যমিক পর্ষদ। গত বছর অভিযোগ সামান্য। এবার কার্যত অভিযোগ উঠল না। মোবাইল ফোন নিয়ে ঢোকা বন্ধ পরীক্ষার্থীদের, শিক্ষকদেরও। শিক্ষকদেরও, কারণ, উত্তরবঙ্গে এক প্রধান শিক্ষক স্বয়ং অভিযুক্ত ছিলেন। এবার, মাধ্যমিকের প্রথম দিনে আংশিক প্রশ্ন ফাঁস। দ্বিতীয় দিন থেকে বন্ধ। কিছু ছাত্রের এ বছরের পরীক্ষা বাতিল। ভবিষ্যতে দিতে পারবে পরীক্ষা, নিশ্চয়তা নেই। কঠোর ব্যবস্থায় কাজ হয়েছে। ভালটা বলতে পারবেন না বিরোধীরা, মনে মনে অন্তত মানুন।‌‌

জনপ্রিয়

Back To Top