কংগ্রেস নেতা সন্ময় ব্যানার্জিকে নিয়ে সম্প্রতি যথেষ্ট চর্চা হল। হচ্ছে। আমরা সকলে যদি তাঁকে আগে থেকে চিনে না থাকি, সবটা দোষ আমাদের নয়। কিছুদিন ধরে টেলিভিশনে বিতর্কে বসছেন। শুনলাম, ‘‌সাংবাদিক’‌।‌ কোন কাগজের ‘‌সাংবাদিক’, জানি না। সন্ময়বাবু ফেসবুকে দেদার ‘‌লেখেন‌’।‌ নির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে তাঁকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। কংগ্রেস নেতারা ক্ষুব্ধ, বললেন অনেক কিছু। অভিযোগ জানাতে গেলেন মহামহিম রাজ্যপালের কাছে। রানুছায়া মঞ্চে একটা সভাও হয়েছে। বাক–‌স্বাধীনতায় আঘাত!‌ সিপিএম–‌ও সোচ্চার। ঘটনা কী?‌ সরকার তথা তৃণমূলের কয়েকজন নেতার বিরুদ্ধে ফেসবুকে ভয়ঙ্কর আক্রমণ। অনেকে মনে করেন, কুৎসিতই। মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী সরাসরি আইনি চিঠি দেন। তৃণমূলের কয়েকজন কর্মী তাঁদের নেতৃত্বের বিরুদ্ধে আপত্তিকর 
বক্তব্যের জন্য থানায় অভিযোগ করেন। গ্রেপ্তার সন্ময়বাবু। পরে জামিন। চলুক মামলা। আদালত রায় দিক। আপাতত আমরা কিছু সাধারণ কথা বলতে চাই। গণতন্ত্রে সমালোচনার অধিকার নিশ্চয় স্বীকৃত ও অপরিহার্য। নীতি ও সিদ্ধান্ত নিয়ে সমালোচনা, তীব্রতম সমালোচনা হতেই পারে। কিন্তু, যদি ব্যক্তিগত আক্রমণ হয়?‌ যদি তা কুৎসার দিকে চলে যায়, তখন?‌ সোশ্যাল মিডিয়াকে অনেকে বলেন ‘আনসোশ্যাল মিডিয়া’‌। কিছু দু্ষ্ট লোক। একজন রাজনৈতিক নেতার কাছে নিশ্চয় এমন আচরণ প্রত্যাশিত নয়। নীতিগত সমালোচনা করুন। করতে পারেন, যত খুশি। সংবাদপত্রে, লেখায় শাসকের সমালোচনা কম হয় কখনও?‌ কেউ জবাব দিতে পারেন, কেউ উপেক্ষা করতে পারেন। কিন্তু, ব্যক্তিগত কুৎসা হলে, যদি হয়, কোনও রক্ষাকবচ থাকবে না?‌ ‌ ‌‌‌‌

জনপ্রিয়

Back To Top