যেমন কথা তেমন কাজ। ১৭ জুন নবান্নে জুনিয়র ডাক্তারদের সঙ্গে বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী কথা দিয়েছিলেন। সেই কথা রাখলেন। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে চালু হল পোর্টাল। এবার থেকে সরকারি–‌বেসরকারি হাসপাতালের কতৃর্পক্ষ, চিকিৎসক, কর্মীরা নিগ্রহের ঘটনা জানাতে পারবেন এই পোর্টালে। স্বাস্থ্য দপ্তরের অফিসাররা নজর রাখবেন। অভিযোগগুলি খতিয়ে দেখা হবে। করা হবে বিশ্লেষণ। সেই মোতাবেক নেওয়া হবে ব্যবস্থা। রাজ্যের যে কোনও প্রান্ত থেকে চিকিৎসকরা অভিযোগ জানাতে পারবেন। হেনস্থা, নিগ্রহ, হুমকি, অশালীন মন্তব্য— সব কিছুই জানানো যাবে। রাজ্যের যে কোনও হাসপাতাল থেকেই এই অভিযোগ পাঠানো যাবে। এই ব্যবস্থার খুব প্রয়োজন ছিল। প্রয়োজন ছিল দুটি কারণে। এক, অনেক ক্ষেত্রেই দেখা গেছে, স্বাস্থ্য দপ্তরে চিকিৎসক হেনস্থার খবর পৌঁছতে অনেকটা সময় চলে যায়। অনেক সময় পৌঁছয়ও না। সেই বাধা দূর হল। দ্বিতীয়ত, হেনস্থা হওয়া চিকিৎসকের অভিযোগ নথিভুক্ত থাকবে। অভিযোগ জানাতে পেরেছেন এটা জেনে তিনি আশ্বস্ত থাকবেন। ব্যবস্থা না হলে তিনি বলতে পারবেন। সরকারের উচ্চপদে যাঁরা আছেন, তাঁরাও জানতে পারবেন, হেনস্থার তদন্ত হল কিনা। না হলে যাঁরা দায়িত্বে তাঁদের কাছে কৈফিয়ত চাইতে পারবেন। বোঝাই যাচ্ছে, পোর্টালটির ওপর পুলিশেরও নজরদারি থাকবে। হেনস্থার খবর দেখলেই তারা প্রয়োজন বুঝে ব্যবস্থা নিতে পারবে। মুখ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদ। তিনি শুধু কথা রাখলেন না, সুষ্ঠু প্রশাসনের আরও একটা নজির গড়লেন। আশা করা যায়, আগামী দিনে রোগীদের জন্যও এমন একটি পোর্টাল আসবে। রোগীরাও হাসপাতালের চিকিৎসা নিয়ে নিজেদের অভাব–‌অভিযোগ সরাসরি জানাতে পারবেন। ‌

জনপ্রিয়

Back To Top