৬ সেপ্টেম্বর সকাল থেকেই মানুষের উৎসাহ ছিল দেখার মতো। অনেকেই রাত জেগে বসে থেকেছেন টেলিভিশনের সামনে, তুঙ্গ–‌মুহূর্ত, ‘‌বিক্রম’‌–‌এর চন্দ্রাবতরণ দেখার জন্য। এই সূত্রেই কত যে প্রশ্ন। মহাকাশ অভিযান সম্পর্কে জানার আগ্রহ। সাধারণ মানুষের বেশি জানার কথা নয়। বিজ্ঞানের প্রচার চলতে থাকে, নানা সংগঠন সক্রিয়, কিন্তু আগ্রহ সীমিতই। কী আছে চন্দ্রাযানের নানা পর্যায়ে, চাঁদে নামা মানে কী, কীভাবে, ‘‌বিক্রম’‌ থেকে বেরিয়ে ‘‌প্রজ্ঞান’‌ কী কাজ করবে, প্রশ্ন। চন্দ্রপৃষ্ঠ থেকে মাত্র ২.‌১ কিলোমিটার দূরে ছিন্ন ‌হল যোগাযোগ। হতাশা। তারপর দেশবাসীর অভিনন্দন ইসরো–‌র বিজ্ঞানীদের প্লাবিত করল, অনেকটা তো এগনো গেছে। ৮ সেপ্টেম্বর দুপুরে যখন টেলিভিশনে খবর, খোঁজ পাওয়া গেছে ‘‌বিক্রম’‌–‌এর, মানুষ আলোড়িত, তাহলে যোগাযোগ আবার স্থাপিত হবে, ঠিকমতো কাজ করে অনেক তথ্য ও চিত্র দেবে প্রজ্ঞান। এখনও তেমন সুখবর নেই। বিজ্ঞান সম্পর্কে আগ্রহ স্বাগত। তা, বিজ্ঞান চর্চায় আমাদের মহামহিম সরকারের উদ্যোগ কতদূর?‌ কীরকম?‌ প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন, গণেশের মাথায় হাতির মাথা দেখেই বোঝা যায়, প্রাচীন ভারতে প্লাস্টিক সার্জারি ছিল!‌ সম্প্রতি জানা গেল, কেন্দ্রীয় ‘‌বিজ্ঞান’‌ সংস্থার অনুদানে গবেষণা হচ্ছে রামমনোহর লোহিয়া হাসপাতালে, কোমায় আচ্ছন্ন ব্যক্তির কানে ‘‌মহামৃত্যুঞ্জয়’‌ মন্ত্র সপ্তাহে ২ লক্ষ বার উচ্চারণ করলে, সুস্থ হয়ে যাবেন!‌ সাধ্বী প্রজ্ঞা বলেছিলেন, তাঁর ক্যান্সার সেরেছে গোমূত্র পান করে!‌ কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অশ্বিনী চৌবে বলেন, গোমূত্র দিয়ে ক্যান্সার–‌এর নিরাময় সম্ভব, বিশ্বাস করি!‌...‌ বিশ্বব্যাপী গোমূত্র বিক্রি করে, ভাবুন, কত আয় হবে। অর্থনৈতিক সঙ্কট কেটে যাবে!‌

জনপ্রিয়

Back To Top