বিশ্বকাপ ক্রিকেট, খেলছে ১০ দেশ। তার মধ্যে ৫টিই এশিয়ার, উপমহাদেশের। ভারত, বাংলাদেশ, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, আফগানিস্তান। এর আগে ভারত দু’‌বার, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কা একবার চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। সীমিত ওভারের ক্রিকেটে বাংলাদেশকে আর দুর্বল হিসেবে চিহ্নিত করা যাচ্ছে না। বেশ কয়েক বছর আগে থেকেই বড় দলগুলোকে কখনও কখনও হারিয়ে চমক দিচ্ছিল। এখন আর ‘‌চমক’‌ বলা যাবে না, বাংলাদেশ যে কোনও টিমের বিরুদ্ধে জিততে পারে, সেই ধারণা তৈরি হয়েছে। সাকিব আল হাসান, মুশফিকুর রহিম, তামিম ইকবাল, সৌম্য সরকার, মুস্তাফিজুর রহমান, লিটন দাস, মাহমুদ্দুল্লারা চমৎকার খেলে যাচ্ছেন। এই বিশ্বকাপের সেরা অলরাউন্ডার নিঃসন্দেহে সাকিব, ধারেকাছে কেউ নেই। শ্রীলঙ্কা ভাল খেলছে না, তবু ইংল্যান্ডকে হারিয়ে অন্যতম ফেবারিট দলকে অনিশ্চয়তার মধ্যে ফেলতে পেরেছে। নবাগত আফগানিস্তান। এই প্রথম বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে। যুদ্ধবিধ্বস্ত, গুলিগোলায় বিপর্যস্ত একটা দেশ, অর্থনৈতিক দিক দিয়ে লড়াই চালিয়ে উঠে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছে। প্রথম ৮ ম্যাচে পয়েন্ট নেই। থাকার কথাও তো ছিল না। আবদুল রশিদ, মহম্মদ নবি ও মুজিব–উর রহমান— এই তিন স্পিনার যে কোনও সময় আতঙ্ক। ইংল্যান্ড বেধড়ক পিটিয়েছিল, সীমিত ওভারের ক্রিকেটে অন্যতম শ্রেষ্ঠ বোলার রশিদকে নির্মম প্রহার। তবু, দুটো ম্যাচের কথা বলতে হবে। ভারত ও পাকিস্তান। ২২৭ রানে শেষ হয়ে যাওয়ার পরে, বুমরার দুর্ধর্ষ বোলিং ও সামির হ্যাটট্রিকে নবাগত দল হেরেছে শেষ ওভারে। পাকিস্তানও বিপাকে পড়েছিল। শেষ দিকে চাপটা অভিজ্ঞতার অভাবে ধরে রাখতে পারল না আফগানিস্তান। নবাগত, স্বাগত।‌‌

জনপ্রিয়

Back To Top