সঠিক সিদ্ধান্ত। রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চ্যাটার্জি জানিয়েছেন, রাজ্যের সব কলেজে বসানো হবে সিসি টিভি। কারণ কী?‌ কলেজের পড়ুয়ারা অনেক সময় জড়িয়ে পড়ে গোলমালে। চালায় ভাঙচুর, হেনস্থা করে শিক্ষককে। সিসি টিভি থাকলে ধরা চেনা যাবে তাদের। নেওয়া যাবে ব্যবস্থা। আবার বহুক্ষেত্রে বহিরাগতরা ঢুকে পড়ে মিশে যায় পড়ুয়াদের সঙ্গে। তারাই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ক্ষতি করে সবথেকে বেশি। সিসি টিভি থেকে এদের চিহ্নিত করা যাবে। শুধু তা–ই নয়, সিসি টিভি থাকলে কলেজ কর্তৃপক্ষ ছাত্রছাত্রীদের সঙ্গে কেমন আচরণ করছেন তা–ও জানা যাবে। জানা যাবে টিচার্স রুমের পরিস্থিতি। এখন প্রায় সর্বত্রই সিসি টিভির ব্যবস্থা থাকে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কেন থাকবে না?‌ কেউ কেউ ইতিমধ্যে আপত্তি শুরু করেছেন।  এই আপত্তি দুর্ভাগ্যজনক। মনে রাখতে হবে, কলেজে বেশিরভাগ ছেলেমেয়ে পড়তে যায়। বেশিরভাগ অভিভাবকই চান তাঁদের ছেলেমেয়েরা কলেজে গিয়ে লেখাপড়া শিখুক। অতি অল্প কয়েকজনই বাগড়া দেয়। গোলমাল পাকায়। তাদের চিহ্নিত করা প্রয়োজন। ছাত্রছাত্রীরা রাজনীতি করবে, আন্দোলন করবে। তারা সমাজের কথা ভাববে, দেশের কথা ভাববে এটাই কাম্য। কিন্তু শিক্ষাকে লাটে তুলে দিয়ে নয়। অনেক হয়েছে, আর নয়। এবার কড়া হওয়ার সময় এসেছে। এখানে ভাঙচুরে মদত জুগিয়ে নিজে বিদেশে বা প্রবাসে গিয়ে নিজের কেরিয়ার গোছানোর ‘‌খেলা’ এবার বন্ধ করতে হবে। শুধু গোলমাল পাকানো পড়ুয়া বা‌ বহিরাগত নয়, সিসি টিভি নজর রাখুক শিক্ষকদের ওপর। ক্লাস কতটা নেওয়া হয়েছে, কীভাবে পড়ানো হচ্ছে তারও একটা মূল্যায়ন থাকা দরকার। মানু্ষের করের পয়সায় বেতন। তাঁদের ভূমিকাও স্বচ্ছ থাকা উচিত। এ কাজে যাঁরা আপত্তি করবেন তাঁদের দিকে কিন্তু সন্দেহের আঙুল উঠবে।‌‌

জনপ্রিয়

Back To Top