প্রখ্যাত অর্থনীতিবিদ, সমাজচিন্তক কৌশিক বসু রিয়া–‌বৃত্তান্তে বলেছেন, ‘‌যেন সতীদাহর উল্লাস দেখা যাচ্ছে।’ রামমোহন রায়ের নেতৃত্বে বাংলা থেকেই হয়েছিল প্রবল আন্দোলন, ব্রিটিশ সরকার সতীদাহ প্রথা নিষিদ্ধ করেছিল। নৃশংস উল্লাসের দিন ফিরে এসেছে দেশে। প্রয়াত সুশান্ত সিং রাজপুতের বান্ধবী, অভিনেত্রী রিয়া চক্রবর্তীকে কিছু সর্বভারতীয় চ্যানেলে, সোশ্যাল মিডিয়ায় যেভাবে একতরফা আক্রমণ করা হচ্ছে, ‘‌ডাইনি’‌ বলা হচ্ছে, তা দাহের সঙ্গে তুলনীয়। সুশান্তের মৃত্যুর দিন রিয়া সেই বাড়িতে ছিলেন না। প্রত্যক্ষভাবে জড়িত থাকতে পারেন না। ‘‌খুনি’‌ নন। অভিনেতা তথা প্রেমিকের অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা সরানোর অভিযোগ উঠল, তারপর নীরবতা। এখন ‘‌ড্রাগ’‌ সূত্র। বলা হচ্ছে, সুশান্তকে ড্রাগ এনে দিতেন রিয়া। এজন্য শাস্তি যা প্রাপ্য, পাবেন, যদি প্রমাণিত হয়। পাশাপাশি, আরেক নায়িকার দিকে তাকান। তিনি শুরু থেকেই, আগে অন্য ইস্যুতেও বিজেপি–‌র উগ্র প্রচারক। কুকথার জন্য ভারতকুখ্যাত। মুম্বইয়ে কাজ করেন, সেই শহরকে বলেছেন ‘‌পাক অধিকৃত ‌কাশ্মীর’‌। মুম্বই পুলিশকে বললেন ‘‌মাফিয়া’‌। এত উগ্র, যে, দেবেন্দ্র ফড়নবিশও বিরোধিতা করছেন। মানালি থেকে মুম্বইয়ে ফিরে বললেন, ‘‌উদ্ধব, তুই কী ভেবেছিস?‌.‌.‌.‌ আমার বাড়ি (‌অফিস)‌ ভাঙছিস, কাল তোর অহঙ্কার ভাঙবে।’ এই তুইতোকারিরও সমর্থক আছে। উদ্ধব ঠাকরে ভদ্রলোক। কুকথা বলেননি। উত্তরও দেননি। কঙ্গনাকে ভারত সরকার বিশেষ নিরাপত্তা দিল। একজন সিকিউরিটি অফিসার, ১১ জন সশস্ত্র রক্ষী। কী বলব, ভিভিভিআইপি?

জনপ্রিয়

Back To Top