খোঁজ করতে পারেন, ৬ বছরে মোদি সরকারের সাফল্য কোথায়। অনেক ঢক্কানিনাদের পরও দেখা যাচ্ছে, আর্থিক ক্ষেত্রে কোনও উন্নতি হয়নি, দরিদ্র, নিম্নবিত্ত মানুষের কোনও উপকার হয়নি। ৬ বছর পার হওয়ার পর দেখা যাচ্ছে, বেকারত্বের হার অর্ধশতকে সবচেয়ে নীচে। ভাইরাস হানা, লকডাউনের জন্য সারা বিশ্বে অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত। ভারতে কিন্তু নিম্নমুখী ছবি আগেই পরিষ্কার হয়ে গেছে। যখন স্বাভাবিক অবস্থা ছিল, তখনও আর্থিক গতি রুদ্ধ হয়েছে, চাহিদা কমেছে, কাজ কমেছে, কৃষকের শ্রমিকের মধ্যবিত্তের দুর্গতি বেড়েছে। ভুল স্বপ্ন দেখানো কিন্তু চলেছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি জাতির উদ্দেশে ভাষণে বললেন, ২০ লক্ষ কোটি টাকা, জিডিপি–‌র ১০ শতাংশ বরাদ্দ করা হচ্ছে ঘুরে দঁাড়ানোর জন্য। বাস্তবে দেখা গেল, আসল খরচ ২ লক্ষ কোটি। জিডিপি–‌র ১ শতাংশ। পৃথিবীর ৩০টি দেশ বেশি আক্রান্ত। কোথাও বিশেষ সঙ্কটে এত কম খরচ নয়। আমেরিকা জিডিপি–‌র ১০ শতাংশ, জাপান আরও বেশি, চীন ৮ শতাংশ, এমনকী অনেক অনুন্নত দেশও ৬ শতাংশ। ত্রাণ হিসেবে যা ঘোষণা করলেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন, তার অধিকাংশই ঋণের প্রতিশ্রুতি। পরিযায়ী শ্রমিকদের ফেরানোর জন্য ট্রেন ভাড়া নেওয়া হল। রেলকর্মীরা যথেষ্ট পরিশ্রম করছেন, কিন্তু কর্তার নির্দেশে এমন সিদ্ধান্ত। পেট্রোপণ্যের দিকে তাকা‌ন। ১৯১২ সালে যখন পেট্রোলের দাম ওঠে ৭১ টাকায়, গুজরাটের তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মোদি তীব্র আক্রমণ করেন ইউপিএ সরকারকে। তখন আন্তর্জাতিক বাজারে অশোধিত তেলের দাম প্রতি ব্যারেলে ১০৬ ডলার। এখন, ৩৮ ডলার। তবু, পেট্রোলের দাম ৭৮ টাকা পার। কর বাড়াল কেন্দ্র। সাফল্য?‌ খঁুজে দেখুন।‌‌‌

জনপ্রিয়

Back To Top