প্রয়াত হলেন বিধায়ক তমোনাশ ঘোষ। বয়স হয়েছিল মাত্র ৬৪। ১৯৯৮ সাল থেকেই মমতার নেতৃত্বে তৃণমূল কংগ্রেসের সক্রিয় সংগঠক। দলের কোষাধ্যক্ষও থেকেছেন। ফলতা কেন্দ্রের তিনবারের বিধায়ক। দক্ষিণবঙ্গ পরিবহণ নিগমের চেয়ারম্যান হিসেবে বৈঠকের সূত্রে গিয়েছিলেন দুর্গাপুরে। ফিরেই অসুস্থ হয়ে পড়েন। কোভিড–‌১৯ ধরা পড়ে। দীর্ঘ এক মাস লড়েছেন মারণ ভাইরাসের বিরুদ্ধে। শেষ পর্যন্ত প্রয়াত হলেন। তৃণমূল নেত্রী তথা বাংলার মুখ্যমন্ত্রী গভীর শোক প্রকাশ করেছেন ৩৫ বছর সঙ্গে থাকা সহযোদ্ধার মৃত্যুতে। কারও প্রয়াণ হলে, চরম শত্রুরাও আন্তরিক শোকপ্রকাশ করেন। কংগ্রেস নেতা অধীর চৌধুরি ও সোমোন মিত্র এবং সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী, বিজেপি নেতা মুকুল রায়ের শোকবার্তাও প্রকাশিত। যঁার সঙ্গে তিন বছর বিধানসভায় ছিলেন, সেই দিলীপ ঘোষ শোক প্রকাশ করে উঠতে পারলেন না। কী বললেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি? কুকথার জন্য তিনি ‘‌বিখ্যাত’। সেই দুর্নাম তিনি অক্ষুণ্ণ রাখলেন। বললেন, একজন বিধায়ককে বাঁচাতে পারল না, ব্যর্থতা তৃণমূল সরকারের! মারণ ভাইরাসে যে–‌কেউ আক্রান্ত হয়ে শেষ পর্যন্ত প্রয়াত হতে পারেন। দিলীপবাবু বলেন, তমোনাশ ঘোষের মৃত্যু প্রমাণ করছে, কোভিড–‌১৯ মোকাবিলায় চরম ব্যর্থ সরকার। যেন, বিধায়ক বা নেতাকে রক্ষা করাই সরকারের একমাত্র কর্তব্য। যদি অন্য ৬০০ জনের মৃত্যু হতে পারে, বিধায়কের ক্ষেত্রে তেমন ঘটবে না, গ্যারান্টি কে দেবে?‌ কী চান দিলীপ ঘোষ, শুধু জনপ্রতিনিধিদের জন্য বিশ্বে অজানা পথ খুঁজে বার করা যাবে? অভদ্রতা, সঙ্কীর্ণতা কতদূর যেতে পারে, দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ।‌‌

জনপ্রিয়

Back To Top