ভয়ঙ্কর ভাইরাসে যে–‌কোনও ব্যক্তি আক্রান্ত হতে পারেন। সতর্ক থাকলে, বিধি মেনে চললে, আশঙ্কা নিশ্চয় কম। সাধারণ বুদ্ধি থাকলে, মেনে চলা উচিত। নিজের জন্য, পরিবারের সদস্যদের জন্য, প্রতিবেশীদের জন্য, দেশের জন্য। যদি দেখা যায় যে রাষ্ট্রনেতারাই সুরক্ষা বিধি মানছেন না, স্তম্ভিত হতে হয়। ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন ভয়ঙ্কর ভাইরাসকে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করেছিলেন। বলেন, ‘‌হার্ড ইমিউনিটি’‌ তৈরি হলে সব ঠিক হয়ে যাবে। ব্যাপারটা যে তেমন সহজ নয়, দেশে দেশে প্রমাণিত। ব্রিটেনে দ্রুত ছড়াল কোভিড–‌১৯, হাজার হাজার মানুষ প্রাণ হারালেন, আক্রান্ত হলেন স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী। এবং স্বাস্থ্যমন্ত্রী। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ‘‌বীর’‌। প্রথম দিকে বললেন, ওটা উহান ভাইরাস, চীনেই থেমে যাবে, কোনও দেশে আসবে না, আমেরিকায় তো নয়ই। হায়। বেপরোয়া মনোভাবের ফল হাতেনাতে মিলেছে। লক্ষাধিক আমেরিকাবাসী মারা গেছেন, এখনও রোজ আক্রান্ত হচ্ছেন হাজার হাজার। ট্রাম্প মাস্ক পরছেন না। নির্বাচনী সমাবেশ করছেন সুরক্ষা ছাড়াই। শ্রোতাদের মধ্যে অনেকে আক্রান্ত হয়েছেন। ট্রাম্পের কিছু এসে যায় না। অথবা, হয়তো এসে যায়। ফল পাবেন আসন্ন নির্বাচনে। ট্রাম্পের গুণমুগ্ধ, চরম দক্ষিণপন্থী বোলসোনারো ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট। গুরুত্ব দিলেন না। তারপর প্রবল হানা ভয়ানক ভাইরাসের। মূত্যুসংখ্যা আমেরিকার পরেই। তিনি মাস্ক পরতে নারাজ। এর মধ্যেই  গা–‌ঘেঁষে জনসমাবেশ করেছেন। মাস্ক পরছেন না কেন?‌ বোলসোনারোর উত্তর:‌ আমি অ্যাথলিট, নিশ্চিন্ত!‌ অ্যাথলিটদের ইমিউনিটি বেশি। তবু, পৃথিবী জুড়ে অনেক ক্রীড়াবিদ আক্রান্ত। একজন ক্রীড়াবিদ শুধু দক্ষ নন, নিয়ম মেনে চলেন। তঁাদের দৈনন্দিন জীবন শৃঙ্খলাবদ্ধ। ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট কি সুপার–‌অ্যাথলিট?‌ নিজে আক্রান্ত। কিছু বলবেন?‌ ‌

জনপ্রিয়

Back To Top