অপরাধী সাজা পেলে সবাই খুশি। এই অপরাধী সাজা পাওয়ায় দ্বিগুণ খুশি হয়েছে। হওয়ারই কথা। তার কারণ, এই অপরাধ হু–হু করে বাড়ছে। অভিযোগও হচ্ছে। কিন্তু অভিযুক্তদের দোষী সাব্যস্ত করতে লেগে যাচ্ছে দীর্ঘ সময়। ফলে বিচারও হচ্ছে না। অপরাধী জামিন নিয়ে বুক ফুলিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে। পারলে একই অপরাধ আবার করছে। সে না করলে অন্য কেউ করছে। জেনে গেছে, এই অপরাধে আর যাই হোক, সাজা হয় না। এই ধারণা ভেঙে দিলেন রাজ্যের গোয়েন্দারা। মামলা শুরুর ৪২ দিনের মধ্যে চার্জশিট পেশ করল সিআইডি। আর শুনানি শুরুর পঁাচ মাসের মধ্যে মামলার নিষ্পত্তি করল আদালত। সাইবার অপরাধে পঁাচ বছরের কারাদণ্ডের সাজা পেয়েছে নামকরা ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের এক ছাত্র। অভিযোগ ছিল, এই ছাত্র একটি মেয়ের সঙ্গে ভালবাসার সম্পর্ক তৈরি করে এবং পরে পর্ন সাইটে মেয়েটির অশ্লীল ছবি ছড়িয়ে সম্মানহানি করে। সাইবার গোয়েন্দারা দ্রুত এই জঘন্য অপরাধ প্রমাণ করেছেন। বিচারও হয়েছে দ্রুত। এই দ্রুততার খুব‌ প্রয়োজন ছিল। একটা দৃষ্টান্ত তৈরি হল। যারা মনে করছিল এই ধরনের অপরাধ করলেও উপযুক্ত প্রমাণের অভাবে ছাড় পাওয়া যাবে তারা ভয় পাবে। সাইবার অপরাধ এখন সামাজিক ব্যাধিতে পরিণত হয়েছে। প্রতিদিনই একটা না একটা ঘটনার অভিযোগ জমা পড়ছে পুলিসের কাছে। দুর্ভাগ্যজনক বিষয় হল, অধিকাংশ অপরাধই হচ্ছে মেয়েদের বিরুদ্ধে। মেয়েরাও অপরাধীদের ফঁাদে পা দিচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রেই তারা সোশ্যাল মিডিয়ার আসক্তি থেকে বেরোতে পারছে না। আর সেখানেই জড়িয়ে পড়ছে অচেনা অপরাধীর সঙ্গে। তাই শুধু অপরাধীকে সাজা দিয়ে এই সমস্যা থেকে বেরোনো যাবে না। সতর্ক হতে হবে। এমন কোনও ফঁাদে পা দেওয়া যাবে না যার পরিণতি ভয়ঙ্কর হয়।‌‌

জনপ্রিয়

Back To Top