আমেরিকা উত্তাল হয়েছে কৃষ্ণাঙ্গ জর্জ ফ্লয়েডের হত্যাকাণ্ডের পরে। হত্যাকারী শ্বেতাঙ্গ পুলিশ। তুচ্ছ কারণে ধরে প্রকাশ্য রাস্তায় ফ্লয়েডের গলায় হঁাটু চেপে ধরে পুলিশ অফিসার। চাপ দিতে থাকে। ফ্লয়েডের আর্তনাদ, ‘‌আমার দম বন্ধ হয়ে আসছে’‌। সঙ্গে আরও দুই শ্বেতাঙ্গ পুলিশ। মৃত্যু ঘটিয়ে তবে থামল। আমেরিকায় বর্ণবৈষম্য কমানোর জন্য প্রাক্তন তিন প্রেসিডেন্ট কিছু চেষ্টা করেছিলেন। অত্যাচার চলছে তো চলছেই। তিন বছরে কৃষ্ণাঙ্গদের ওপর অত্যাচারের ৩৮৩টি ঘটনা সংবাদ মাধ্যমে উঠে এসেছে। আড়ালে–‌থাকা ঘটনা হাজার হাজার। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প কার্যত মদত দিচ্ছেন শ্বেতাঙ্গ বর্ণবৈষম্যবাদীদের। বলেছেন, কয়েকটা ঘটনা নিয়ে এত গন্ডগোল পাকানো আসলে ডেমোক্র‌্যাটদের চক্রান্ত। বামপন্থীদের চক্রান্ত। মানবাধিকার সংগঠনের চক্রান্ত। চীনের চক্রান্ত বলেননি, এটাই যথেষ্ট। সর্বকালের অন্যতম সেরা ফাস্ট বোলার মাইকেল হোল্ডিং এক সাক্ষাৎকারে বলছিলেন, কীভাবে গায়ের রঙের জন্য নিগৃহীত হতে হয়েছে। চোখে জল বিশ্বত্রাস জোরে বোলারের। চলছে ইংল্যান্ড–‌ওয়েস্ট ইন্ডিজ টেস্ট সিরিজ। জৈব সুরক্ষা বলয়ে খেলোয়াড়, আম্পায়ার, সাংবাদিকরা। একটা টেস্ট কেন্দ্র থেকে দ্বিতীয়টা ৪০ মিনিটের পথ। ইংল্যান্ড প্রত্যেক ক্রিকেটারের জন্য আলাদা গাড়ি দেয়। জোফ্রা আর্চার আসার পথে বাড়িতে নেমেছিলেন, নিশ্চিতভাবে ভুল। দ্বিতীয় টেস্ট খেলা হল না, কোয়ারেন্টিনে। অধিনায়ক জো রুট এবং বেন স্টোকস পাশে দঁাড়িয়েছেন। কিন্তু সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেক ব্রিটিশ কুৎসিত আক্রমণ করেছেন, যা স্পষ্টত বর্ণবৈষম্যবাদী। আর্চার অপমানিত, লাঞ্ছিত। হোল্ডিংয়ের প্রশ্ন, এমন চলবে আর কতকাল?‌

জনপ্রিয়

Back To Top