সফল হলে কত উপহারই না মেলে। অর্থ, মেডেল, সার্টিফিকেট। গাড়ি–‌বাড়ি পাওয়ারও নজির আছে। তা বলে গরু!‌ হ্যাঁ, এমনটাই ঘটেছে হরিয়ানায়। কিছুদিন আগে হরিয়ানা সরকার উপহারে গরুর ব্যবস্থা রেখেছিল। জুনিয়র বক্সিং চ্যাম্পিয়নশিপে যাঁরা সফল হয়েছেন, সরকার তাঁদের উপহার দিয়েছে একটা করে গরু। মোট ছ’‌জন বক্সার এই উপহার পেয়ে হতবাক। কী আর করা যাবে। ঝামেলা। কোনও গরু দেয় গঁুতিয়ে, কোনও গরু মারে লাথি। তিন বক্সার গরুপাঠ (‌পত্রপাঠ)‌ সরকারকে ফেরত পাঠিয়েছেন ‘‌উপহার’‌। আজকাল পত্রিকায় এই ‘‌উপহার’–‌এর সমালোচনা করে মাথাভাঙা থেকে চিঠি লিখেছেন সঞ্জীবকুমার সাহা। কেন এ হেন ‘‌উপহার’‌?‌ শোনা যায়, সরকার নাকি ভেবেছিল, এই গরুর দুধ খেয়ে বক্সাররা আরও শক্তিশালী হয়ে উঠবেন। আহা!‌ চমৎকার ভাবনা। গরু থেকে দুধ, দুধ থেকে শক্তি, শক্তি থেকে বক্সিং। এতে সন্দেহ থাকলেও, ‘‌উপহার’–এর ইতিহাসে হরিয়ানা যে নিজের নাম পাকাপাকি ভাবে রাখতে পারল, তাতে কোনও সন্দেহ নেই। যাঁরা এই ‘‌উপহার’‌ পরিকল্পনা করেছিলেন, তাঁদের পরিচয় জানতে ইচ্ছে করে। সরকারের উচিত তাঁদের জন্যও ‘‌উপহার’–এর ব্যবস্থা করা। তবে তাঁদের আর গরু দিয়ে বিপদে ফেলার কোনও মানে হয় না। অবলা প্রাণী আবার কাকে দেবে গঁুতিয়ে, তার ঠিক আছে?‌ তার থেকে বরং দেওয়া হোক খানিকটা করে উন্নত মানের ঘাস। যাতে গরুপ্রেমীরা সেই ঘাস খাওয়াতে পারেন গরুকে। গরু দেবে পুষ্টিকর দুধ। সেই দুধ খেয়ে তাঁদের মস্তিষ্ক হবে উর্বর। এরপর থেকে ‘‌উপহার’‌ দেওয়ার আগে তাঁরা একটু না হয় ভাববেন।      ‌‌‌‌

জনপ্রিয়

Back To Top