অতিমারীতে আক্রান্ত পৃথিবীর সব দেশ। কোথাও বেশি, কোথাও কম। আর্থিক কর্মকাণ্ডে ভাটা পড়ায় দুর্গতি বেড়েছে এবং তার প্রভাব বেশ কিছুদিন থাকবে। জিডিপি বৃদ্ধির হার নেতিবাচক সব দেশে, ব্যতিক্রম চীন। দ্রুত সামলাতে পেরেছে বলেই হয়তো। সবচেয়ে নেতিবাচক বৃদ্ধি ভারতে। মনে রাখতে হবে, আর্থিক সঙ্কট আমাদের দেশে ক্রমশ এসেছে অতিমারীর ভয়াল হানার আগেই। ৬ মাসে কাজ হারিয়েছেন অন্তত ৫৫ লক্ষ মানুষ। আয় কমেছে ২ কোটি দেশবাসীর। পরিযায়ী শ্রমিকরা প্রাণ হারিয়েছেন ঘরে ফেরার পথে। ভারত সমস্যায় পড়েছিল আগে থেকেই, বারবার বলা দরকার। সঙ্কটকালে কেন্দ্রীয় সরকার কার্যত দায়িত্ব পালন করেনি। প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা করলেন ২০ লক্ষ কোটির ত্রাণ প্যাকেজ। আসলে ২.‌১ কোটি। ‘‌ত্রাণ’‌–‌এর নামে ঋণের ঢালাও ঘোষণা। যা–‌ই হোক, অস্বীকার করার জায়গা নেই, আর্থিক সঙ্কটে দেশ। এই সময়ে কী ব্যবস্থা নিচ্ছে কেন্দ্র?‌ ব্যয় কমানো। কীভাবে?‌ সরকারি অফিসাররা অতিথিদের চা–‌বিস্কুট খাওয়াতে পারবেন না। কত বঁাচল?‌ জানলে ভাল লাগবে। সাংসদদের ক্ষেত্রে দুটো সিদ্ধান্ত নিল সরকার। এক, লোকসভা ও রাজ্যসভা সদস্যদের বেতন–‌ভাতা হ্রাস। দুই, এমপি ল্যাড বন্ধ। সাংসদ তহবিল থেকে সব দলের জনপ্রতিনিধিরাই বছরে ২ কোটি টাকা পেতেন, যা তঁারা খরচ করতেন সরকারি অনুমোদনেই, নিজেদের এলাকায় বা প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে। বেতন–‌ভাতা হ্রাসের প্রস্তাব সবাই মেনে নিলেন। বিরোধীদের আপত্তি, সাংসদ তহবিল নিয়ে। আসলে, কেন্দ্রীকরণ। প্রশ্ন উঠেছে, এই সঙ্কটকালে দিল্লির রাজপথ সাজানোর জন্য ২০ হাজার কোটি খরচ করা হচ্ছে কেন?‌ এখনই নতুন সংসদ ভবন বানানোর কী দরকার?‌ প্রধানমন্ত্রীর নতুন বিমান কেনা হচ্ছে ৮০০ কোটি টাকায়। সঙ্কট?‌ ‌‌‌‌‌

জনপ্রিয়

Back To Top