ভুল বলুন, অসতর্কতা বলুন, আমাদের আচরণে তার ছাপ প্রায় প্রতিদিন দেখা যাচ্ছে। মাস্ক পরলে অনেকটা নিরাপদ, তবু বেশ কিছু নাগরিকের উদাসীনতা। রাস্তায় বেরিয়ে, বাজারে গিয়ে, মাস্ক ছাড়া চলাফেরা। কারও মাস্ক থুতনির নীচে, কারও পকেটে, কারও নাকি বাড়িতে!‌ ন্যূনতম দূরত্ব বিধির কথা বারবার বলা হচ্ছে। তবু, গা–‌ঘেঁষাঘেঁষি করে আড্ডা, খেলা, জমায়েত। পরোয়া নেই। নিজেরা ঝঁুকি নিচ্ছেন, অন্যদের বিপন্ন করছেন। বেশ কয়েকবার হাত ধোওয়া বা স্যানিটাইজার লাগানো কি খুব কঠিন?‌ বঁাচার ও বঁাচানোর জন্য এটুকু করা হবে না?‌ রাজ্য সরকারের অনুরোধে দিল্লি, মুম্বই, চেন্নাই, আমেদাবাদ, সুরাট থেকে বিমান আসা বন্ধ করা হয়েছে। বেশি আক্রান্ত শহরগুলো থেকে এসে যেন বিপদ না বাড়ান, রাজ্য প্রশাসন সতর্ক। তৎপর। তবু, ফঁাক গলে চলে আসছেন কিছু লোক। বুদ্ধি খাটাচ্ছেন, যাকে বলে মারাত্মক বুদ্ধি। ভাইরাস নিয়ে আসছেন কিনা, বোঝার উপায় থাকছে না। ওই শহরগুলো থেকে প্রথমে যাচ্ছেন পাটনা, গুয়াহাটি, ভুবনেশ্বর। কোনও সতর্কতা নেই, সেখান থেকে চলে আসছেন কলকাতায়। মূল উদ্দেশ্যই অনেক ক্ষেত্রে ব্যর্থ হচ্ছে। যঁারা বিমানে যাতায়াত করছেন, তঁাদের নিশ্চয় বিপুল অর্থ, অন্য শহর ঘুরে আসতে অসুবিধা হচ্ছে না। বিপজ্জনক জায়গা থেকে আসার আগে টেস্ট করাচ্ছেন বলে খবর নেই। বিত্তশালী, হয়তো শিক্ষিত। কিন্তু ওঁদের ভ্রুক্ষেপ নেই। বাগডোগরা হয়ে আসছেন অনেকে। উল্লেখযোগ্য, উত্তরবঙ্গে সম্প্রতি সমস্যা বেড়েছে। কাকে ফঁাকি দিচ্ছেন?‌ সহ–‌নাগরিকদের। মাননীয় রাজ্যপাল লখনউ হয়ে দিল্লি গেলেন?‌ কোনও টেস্ট নয়। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক এত জরুরি ছিল?‌‌

জনপ্রিয়

Back To Top