হিন্দি সিনেমাকে ‘‌লারেলাপ্পা’‌ ইত্যাদি বলে ঠাট্টা করা হয়। দেখাও চাই, ঠাট্টাও করা চাই!‌ কয়েকটা কথা মনে রাখা ভাল। বহুকাল ধরে বলিউড ভারতীয় সিনেমার রাজধানী। অর্থহীন নাচাগানার ছবি শুধু মুম্বইয়ে হয় না, দক্ষিণ ভারতে হয়, বাংলাতেও নেহাত কম নয়। ভাল দিকটা ভাবি। ওই ধরনের সিনেমায় কাজ করে নানা সময় যঁারা বাজার জমিয়েছেন, তঁাদের দক্ষতা অস্বীকার করা যায় না। শাম্মি কাপুর কি কম ভাল অভিনেতা?‌ সারা ভারত থেকে স্বপ্ন নিয়ে বলিউডে হাজির হন শিল্পী, পরিচালক, কলাকুশলীরা। গুণী না হলে সেখানে টিকে থাকা যায় না। পারিবারিক সূত্রে কেউ কেউ তারকা হয়ে যান, সত্যি। কিন্তু, শুরুটা করা গেলেও, দীর্ঘদিন থাকতে হলে গুণ দরকার। দক্ষতা ছাড়া, স্রেফ পরিবারের জোরে স্থায়ী জায়গা পাওয়া সম্ভব না। উত্তর কলকাতার গৌরাঙ্গ চক্রবর্তী মুম্বই পৌঁছেছিলেন স্বপ্ন নিয়ে। কয়েক বছর কঠিন লড়াই। ছোটখাটো অনুষ্ঠানে নেচে কিছু টাকা পেলে ঠিকমতো সেদিন খাওয়াদাওয়া। কার্যত পথে থাকতেও হয়েছে। সেই ছেলেটিই হয়ে উঠেছিলেন মিঠুন চক্রবর্তী। বলিউড পরীক্ষা নেয়, যোগ্যতা থাকলে সাদরে গ্রহণ করে। ধর্ম বাধা হয়নি। দিলীপ কুমার, মধুবালা, মীনা কুমারী, নার্গিস— এঁরা মুসলিম, কেউ মনে রাখেননি। শিল্পী। সম্প্রতি শাসক দল সেই বলিউডকে বিপাকে ফেলছে। যেন সবাই মাদক নেন!‌ বিশেষ চ্যানেলে কুৎসিত প্রচার। শিবসেনার প্রভাব কমাতে আক্রমণ। এবার সব নামী শিল্পীরা একজোট হয়ে প্রতিবাদ করলেন। দেড় লক্ষ মানুষের কর্মসংস্থান। ভুলতে পারি?‌‌‌

জনপ্রিয়

Back To Top