দেশে যখন সংক্রমণ বাড়ছে, তখন জয়েন্ট এন্ট্রান্স (‌মেইন)‌ এবং নিট পরীক্ষা চাপিয়ে দিল কেন্দ্র, ২৬ লক্ষ পরীক্ষার্থীর ওপর। শেষ সেমেস্টার নিয়েও চাপ। দেশে যখন কোভিড সংক্রমিতের সংখ্যা ৩ হাজার, তখন পরীক্ষা পিছিয়ে দেওয়া হল। আর, সংক্রমিতের সংখ্যা যখন ৩৫ লক্ষ, তখন পরীক্ষার জন্য জবরদস্তি। বাংলার পরিস্থিতি ভাল আগের চেয়ে, তথ্যই বলছে। তবু, এখন পরীক্ষা ঝঁুকির, তাই মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি প্রতিবাদ করেছেন। সেই প্রতিবাদকে সর্বভারতীয় স্তরে নিয়ে গেছেন। কৈলাস বিজয়বর্গীয় বললেন, প্রতিবেশী রাজ্য ওডিশা যখন পরীক্ষার্থীদের জন্য সবরকম ব্যবস্থা করছে, মমতা ব্যানার্জি কেন আপত্তি করছেন। কৈলাসজি কি অবগত নন, জয়েন্ট (‌মেইন)‌ ও নিট পিছিয়ে দেওয়ার জন্য ওডিশার মুখ্যমন্ত্রী নবীন পট্টনায়ক প্রধানমন্ত্রীকে শুধু চিঠি লেখেননি, ফোনে কথা বলেছেন। পরীক্ষা যদি হয়, ন্যূনতম ব্যবস্থা তো সব সরকারকেই করতে হবে। ঝঁুকি থাকলেও। মিথ্যাচার কেন?‌ দিলীপ ঘোষ বললেন, কোভিড–‌এর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ব্যর্থ রাজ্য সরকার। তাই মুখ্যমন্ত্রী শুধু প্রতিবাদ করছেন। অনেক রাজ্যের চেয়ে ভাল জায়গায় বাংলা, কেন্দ্রেরই তথ্য। দিলীপবাবুকে একটা প্রশ্ন করতে চাই। ২০ মে ভয়ানক আমফান–‌এর পরদিন রাজ্যে এসেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বলেন, ‘‌অগ্রিম’‌ ১০০০ কোটি দেওয়া হচ্ছে। কেন্দ্রীয় দল দেখার পর, সিদ্ধান্ত হবে। সেই দল এল, সব জায়গায় গেল, দিল্লিতে রিপোর্ট দিল। তারপর, আর একটা টাকাও এল না কেন?‌ জানতে চাইছি, ‘‌অগ্রিম’‌ মানে কী?‌ মানে তো, জাতীয় দুর্যোগ তহবিল থেকে প্রাথমিক অনুদান। বলবেন কি, অগ্রিমের পর আর কিছু এল না কেন?‌‌‌

জনপ্রিয়

Back To Top