এর আগেও অনূর্ধ্ব–১৯ বিশ্ব ক্রিকেট চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ভারত। এই নিয়ে চারবার। তফাত হল, সব ম্যাচে এমন অনায়াসে জয় পায়নি দল। প্রথম ম্যাচে অস্ট্রেলিয়াকে ১০০ রানে, ফাইনালে সেই অস্ট্রেলিয়াকেই ৯ উইকেটে, মাঝে পাকিস্তানকে ২০২ রানে হারানোর হিসেব দেখলে চমৎকৃত হতে হয়। বোঝা গেল, আমাদের ঘরোয়া ক্রিকেট ঠিক পথে চলছে। একটার পর একটা প্রজন্ম তৈরি হয়ে যাচ্ছে। দুই ওপেনার অধিনায়ক পৃথ্বী শ এবং মনজ্যোত কালরা। পৃথ্বী নিয়মিত রান করে গেলেন, মনজ্যোত ফাইনালে করলেন নিখুঁত শতরান। তিন নম্বরে শুভমান গিল, যাঁর উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ নিয়ে কারও কোনও সংশয় নেই। চার নম্বরে হার্ভিক দেশাই, ফাইনালে মসৃণভাবে ব্যাট করে অপরাজিত ৪৭। তিন পেসার, কমলেশ নাগারকোটি, শিবম মাভি এবং ঈশান পোড়েল। বাংলার ঈশান আইপিএল–এ দল পাননি, এখন নিশ্চয় হাত কামড়াচ্ছেন অনেক কর্তা। চিন্তা নেই, ঈশান ঝলমল করবে অদূর ভবিষ্যতে। রনজিতে এবারই দাপট দেখিয়েছে। শুভেচ্ছা জানিয়ে বিরাট কোহলি বলেছেন, যাত্রা শুরু হল, শীর্ষে উঠতে হলে অনেক পথ পার হতে হবে। একই কথা বলছেন বিশিষ্ট প্রাক্তনরা এবং ঠিকই বলছেন। কথাটা সবচেয়ে ভাল যিনি জানেন, তাঁর নাম রাহুল দ্রাবিড়। যুব বিশ্বকাপ চলার সময়ে ক্রিকেটারদের বারবার বলেছেন, আইপিএল–এর কথা ভুলে যাও, প্রতি বছর আসবে। যুব বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ আর পাবে না। জেতো এবং এগোও। তরুণ বাহিনীর মাথার ওপর, লড়াইয়ে পাশে এক বিশ্ববিখ্যাত ক্রিকেটার, যিনি মানুষ হিসেবেও তুলনাহীন। আশা করি, এবারের টিমের চার–পাঁচজন পাঁচ বছরের মধ্যেই সিনিয়র দলে আসবেন। তখন যেন ওঁদের অভিভাবক হিসেবে এই মানুষটিই থাকেন। রাহুল দ্রাবিড়।‌‌

জনপ্রিয়

Back To Top