তিনি, ট্রাম্প, বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষমতাধর ব্যক্তি। আমেরিকার একবগ্গা প্রেসিডেন্ট। এমনিতেই বিপুল ক্ষমতা থাকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট–‌এর হাতে। সেনেট এবং কংগ্রেসে একটা দলের প্রাধান্য থাকে কদাচিৎ। থাকলেও, সংবিধান অফুরন্ত ক্ষমতা দিয়েছে রাষ্ট্রপ্রধানকে। চূড়ান্ত প্রতিক্রিয়াশীল সর্বার্থে, সব পূর্বসূরিকে ছাপিয়ে গেছেন। বলেন, আমার সম্পর্কে জেনেই তো আমাকে ভোট দিয়েছেন আমেরিকার মানুষ। আরও আরও প্রাধান্যবাদী ও প্রতিক্রিয়াশীল হয়ে আসন্ন ভোট বৈতরণীও পার হবেন, দৃঢ় বিশ্বাস তঁার। আরও চার বছর প্রেসিডেন্ট থাকার ব্যাপারে তঁার মনে কোনও অনিশ্চয়তা ছিল না। ডেমোক্র‌্যাট প্রার্থী জো বাইডেন জঁাদরেল রাজনীতিক, বলা যায় না। ওবামার সঙ্গে ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে কাজ করেছেন। তেমন ছাপ ফেলতে পারেননি। ট্রাম্প তঁাকে বলেন ‘‌স্লিপিং জো’‌। সহজেই নাকি হারাবেন। পরিস্থিতি অনেকটা পাল্টে গেল কোভিড–‌১৯ হানার পর। ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, চীন ইচ্ছে করে বানিয়েছে, আমেরিকার কিছু হবে না। হল। এবং এতটাই হল যে, সংক্রমণ ও মৃত্যুতে এক নম্বরে আমেরিকা। মৃত্যু যখন এক লক্ষ ছাড়িয়ে গেছে, তখনও বলেন, দ্রুত স্বাভাবিক জীবনে ফেরা যাবে, বাণিজ্যিক রথ ছুটবে, চিন্তা কীসের। হু সতর্ক করে দেওয়ায় রেগে গেলেন। বললেন, চীনের হয়ে কথা বলছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। অনুদান বন্ধ করে দিলেন। লকডাউন ঘোষণা করলেন অনিচ্ছায়, আংশিক। সাধারণ সতর্কতায় জোর দিলেন না। উৎসাহ দিলেন পথে নামার। অনেক দেশবাসী সেইমতো চললেন। স্বয়ং প্রেসিডেন্ট মাস্ক পরছেন না। নির্বাচনী প্রচার শুরু করে দিলেন। দুটি সভায় জড়ো করলেন কয়েক হাজার সমর্থক। সম্প্রতি তিনটি সমীক্ষায় জানা গেল, বাইডেনের চেয়ে তিনি পিছিয়ে। বেপরোয়া ট্রাম্প যেন আরও বেপরোয়া হচ্ছেন।   ‌‌‌

জনপ্রিয়

Back To Top