প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেছিলেন, কোনও রাজ্যে ভাইরাসে বেশি আক্রান্ত হচ্ছেন মানেই সরকার ব্যর্থ, তা নয়। কোনও রাজ্যে আক্রান্ত কম মানেই সরকার সেরা, তা নয়। ভাবা দরকার একসঙ্গে। বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর এই কথাটা তঁার ভাল লেগেছে। গুজরাটে, মধ্যপ্রদেশে হু হু করে বেড়েছে। কেন বেড়েছে, কেন এত হয়েছে, বিশেষত গুজরাটের ক্ষেত্রে অজানা নয়। বিজেপি শাসিত কর্ণাটকের মুখ্যমন্ত্রী ইয়েদুরাপ্পা দিন কয়েক আগে বলেন, তঁার রাজ্য দেখিয়ে দিয়েছে, ভাল কাজ কাকে বলে। এবার দেখা যাক, কতটা ‘‌ভাল’‌ কাজ হয়েছে ভয়াল ভাইরাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধে। ইয়েদুরাপ্পা বলেছিলেন, রাজধানী শহর নিরাপদ, গোটা রাজ্য ভাল অবস্থায়। সাম্প্রতিক সমাচার, রাজধানী শহরেই সংক্রমণ বাড়ছে বিপুল হারে। গ্রিন জোন থেকে রেড জোন হয়ে যাচ্ছে বহু এলাকা। ভাবা হচ্ছে, সম্পূর্ণ লকডাউন করা হবে কিনা। পরিযায়ী শ্রমিকদের ক্ষেত্রে কীরকম ভাল কাজ?‌ যখন সব রাজ্যে ঢুকছে স্পেশ্যাল ট্রেন, কর্ণাটক সরকার বলে দেয়, বেশি সংক্রমিত ৫ রাজ্য থেকে কোনও ট্রেন ঢুকতে দেওয়া হবে না!‌ অন্য রাজ্য থেকে এসে যে–‌পরিযায়ী শ্রমিকরা কাজ করেন, কর্ণাটক তঁাদের আটকে দিতে চাইল, বিশেষ করে নির্মাণ শিল্পে। কারণ, অবিলম্বে দরকার। সেজন্য বিক্ষোভ দমনে কঠোর হলেন ইয়েদুরাপ্পা। বলা হল, ২ লক্ষ পরিযায়ী শ্রমিককে ৫ হাজার টাকা করে দেওয়া হয়েছে, যাতে তঁারা থেকে যান। প্রশ্ন উঠেছে। ঠিক কতজনকে দেওয়া হল সেই টাকা?‌ তঁাদের তালিকা আছে?‌ না। তালিকা নেই। কারা পেলেন?‌ সরকার নাকি ১০০ কোটি টাকা খরচ করেছে। বিরোধীরা বিস্তারিত হিসেব ও তালিকা চান। কর্ণাটক সরকার দিতে পারছে না। ‘‌ভাল’‌ রাজ্য। ‌‌‌

জনপ্রিয়

Back To Top