৩৪ বছর বয়সি নামী অভিনেতা সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যুর পর হয়ে চলেছে মিডিয়া ট্রায়াল। একাধিক সর্বভারতীয় চ্যানেলে রিয়া চক্রবর্তীকে ‘‌ডাইনি’‌ হিসেবে তুলে ধরার বিরামহীন চেষ্টা। সোশ্যাল মিডিয়ায় তঁাকে ‘‌বাঙালি ডাইনি’‌ বলাও হয়েছে। শত্রুঘ্ন সিনহা–‌সহ কয়েকজন এর প্রতিবাদ করেছেন। তাতে কী, জঘন্য কুৎসা চলছেই। অবশেষে রিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মামলাটা কীসের?‌ সুশান্তের বাবা, আত্মীয়রা প্রায় সরাসরি বললেন, খুন। রিয়া চক্রবর্তী ‘‌খুনি’‌। যে–‌দিন সুশান্ত সিং রাজপুতের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়, সেদিন ওই বাড়িতে ছিলেন না। মনোমালিন্যের সূত্রে, অথবা সুশান্তের দিদি থাকবেন বলে রিয়াকে চলে যেতে বলা হয়। এরকম বলা যাবে না যে, খুন করে ঝুলিয়ে দিয়েছেন বান্ধবী। আত্মহত্যার ঘটনা নয়, এমন কোনও কথা বলেনি সিবিআই বা অন্য কোনও সংস্থা। তাহলে?‌ আত্মহত্যায় প্ররোচনা?‌ প্রথমে রটল, অভিনেতার পরিবারের পক্ষ থেকেও বলা হল, অ্যাকাউন্ট থেকে প্রচুর টাকা সরানো হয়েছে। রিয়ার অপকর্ম। কথাটা কিন্তু আর উঠছে না। পরে কী প্রকাশিত হবে জানি না, কিন্তু, টাকার ব্যাপারটা আর শোনা যাচ্ছে না। এরপর, ড্রাগ। মাদকাসক্ত সুশান্তকে নাকি বান্ধবী ড্রাগ এনে দিতেন। টেস্ট হয়েছে, ড্রাগ নিতেন না রিয়া। তাহলে অপরাধ, ড্রাগ এনে দেওয়া। ড্রাগ ব্যাবসায়ীর সঙ্গে যোগাযোগ। উল্লেখযোগ্য, রিয়ার সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা হওয়ার আগে থেকেই ড্রাগ নিতেন সুশান্ত, তদন্তের সূত্রেই বলা হচ্ছে। ড্রাগের সঙ্গে যুক্ত থাকা অপরাধ। শাস্তি হতে পারে। কিন্তু ‘‌খুন’‌?‌ মামলাটা কীসের?‌‌‌‌

জনপ্রিয়

Back To Top