তঁার হাবভাব দেখে, কথাবার্তা শুনে মনে হয়, দেশের এক নম্বর নায়িকা। যেন, আজকের মাধুরী দীক্ষিত। তিনি মোদি–‌ভক্ত, থাকতেই পারেন। তিনি অতি–‌বিজেপি, তা হতেই পারেন। কিন্তু, যা খুশি বলার অধিকার কঙ্গনা রানাউতকে কে দিয়েছে?‌ ইস্যু থাকলে, কুৎসিত টুইট। ইস্যু না–‌থাকলে জঘন্য কথা হাজির করেন। ঋত্বিক রোশনের সঙ্গে সম্পর্ক ছিল। ভেঙে যাওয়ার পর, যে–‌ভাষায় এবং যেভাবে আক্রমণ করেছেন, তা অসহ্য। যে–‌কোনও সম্পর্ক ভাঙাটা দুঃখজনক। ঋত্বিক কিন্তু কোনও কটু কথা বলেননি। ভিত্তিহীন কথা শুনেও ভদ্রতা ও সংযম দেখিয়েছেন। জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রগতিশীল ছাত্রছাত্রীদের ওপর নৃশংস আক্রমণ করেছিল এবিভিপি–‌র গুন্ডারা। অনেকে আহত। ছাত্রছাত্রীদের সমাবেশে সহমর্মিতা নিয়ে হাজির হয়েছিলেন দীপিকা পাড়ুকোন। বক্তৃতা দেননি, কিছু বলেননি, শুধু নীরব সহানুভূতি। দীপিকাকে ব্যক্তিগত আক্রমণ করেন বাচাল কঙ্গনা। গুরুত্ব দেননি, জবাব দেননি দীপিকা। সুশান্ত সিং রাজপুতের রহস্যজনক মৃত্যুর পর, রিয়া চক্রবর্তীকে জঘন্য (‌বাঙালি ডাইনি!‌)‌ আক্রমণ অ–‌সামাজিক মাধ্যমে। মিডিয়া ট্রায়াল। কঙ্গনা কী করলেন?‌ কী বললেন?‌ বলিউডের নায়করা নাকি প্রায় সবাই ড্রাগ নেন। মন্তব্য, শোনা যায়, রণবীর কাপুর, রণবীর সিং, ভিকি কৌশল, অয়ন মুখার্জি ড্রাগ নেন। প্রমাণ করতে পারবেন?‌ এভাবে নাম উল্লেখ করে চরিত্রহনন করা যায়?‌ মুম্বই পুলিশকে অপদার্থ এবং দুর্নীতিপরায়ণ বললেন। জঙ্গিদের বিরুদ্ধে, মাফিয়াদের বিরুদ্ধে মুম্বই পুলিশের সাফল্য সর্বজন স্বীকৃত। মুম্বইয়েই কাজ করেন, সুরক্ষা পান। ভাল কথা, রাজ্যের বিজেপি–‌ও প্রতিবাদ করেছে। বাচাল নায়িকা কবে থামবেন?‌‌‌‌

জনপ্রিয়

Back To Top