‘‌আনলক ওয়ান’‌ পর্ব ৩০ জুন শেষ হয়েছে। তারপর কী, সেই দিনের মধ্যে জানাতে তো হবেই। অমিত শাহ, অন্য মন্ত্রী ও নেতারা ছড়িয়েছিলেন বার্তা, প্রধানমন্ত্রীর ভাষণে থাকবে গুরুত্বপূর্ণ কথা। ‘‌ভয়ঙ্কর’‌ রাত ৮টায় নয় (‌নোটবন্দি থেকে এই সময়টা তঁার বড় প্রিয়)‌, বিকেল ৪টেয়। মোদিজি বললেন, ‘‌একটা গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা করছি।’‌ দেশবাসী নড়েচড়ে বসলেন, নিশ্চয় বড় ব্যাপার। যা দেওয়া হচ্ছিল, সেই চাল–‌গম নভেম্বর পর্যন্ত দেওয়া হবে। পরিস্থিতির উন্নতি হতে সময় লাগবে, সিদ্ধান্ত স্বাভাবিক। এফসিআই‌–‌এর গুদামে অন্তত দেড় বছরের খাদ্যশস্য মজুত আছে। পচে যায়, নষ্ট হয়ে যায়। নষ্ট করে ফেলতেও নয়, পোকা ধরে বলে। প্রধামন্ত্রীর ঘোষণার এক ঘণ্টা পরেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি জানিয়ে দিলেন, বাংলায় ফ্রি রেশন দেওয়া হবে আরও এক বছর। আশা করা গিয়েছিল, অবস্থা যেহেতু শোচনীয়, এক দফা ত্রাণ প্যাকেজ ঘোষণা হবে। স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলবেন নরেন্দ্র মোদি। উচ্চবাচ্য নেই। ৩০ জুন দেশবাসীর উদ্দেশে ভাষণ, চীন সীমান্তে হানা, প্রধানমন্ত্রী কিছু কথা বলবেন, আশ্বস্ত করবেন, স্বাভাবিক। না। একটা কথাও না। এখনও পর্যন্ত চীনের নাম মুখে আনেননি। এ বিষয়ে কিছুই বললেন না। অন্তত এটুকু বলা, যে, বেদখল জমি উদ্ধার করা হবে। অবশ্য, তিনি তো বলেই দিয়েছেন, ‘‌কেউ ঢোকেনি, কেউ ঢুকে বসে নেই।’‌ মোদি বললেন, আগে সতর্কতা বিধি মেনে চলছিলেন দেশবাসী, ‘‌আনলক’‌ পর্ব শুরু হতেই তঁারা বেপরোয়া হয়ে গেছেন। বিপজ্জনক। সে বিষয়ে কোনও বার্তা?‌ না। উদ্বেগের কথা বলেই থেমে গেলেন। ভাষণটা কেন দিলেন, বোঝা গেল?‌ ‌‌

জনপ্রিয়

Back To Top