সাম্প্রতিক সময়ে বিধানসভা ভোটে সাফল্য কোথায় বিজেপি–‌র?‌ হরিয়ানায় সরকার গড়তে জোট করতে হল দুষ্মন্ত চৌতালার দলের সঙ্গে, যিনি নির্বাচনী প্রচারে সবচেয়ে তীব্র সমালোচনা করেছিলেন শাসক দলের। মহারাষ্ট্র, ঝাড়খণ্ডে সরকার বিরোধীদের হাতে। ঝাড়খণ্ডে সুবিধা হবে না। মহারাষ্ট্রে ভাঙার কাজে সফল হবেন, নিজেই বলছেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিশ। মধ্যপ্রদেশ, রাজস্থান, কর্ণাটকে ক্ষমতা হারায় বিজেপি। প্রথম দিন থেকে ‘‌কাজে’‌ লেগে যান ইয়েদুরাপ্না। জেডিএস–‌এর কুমারস্বামীকে কম আসন সত্ত্বেও কর্ণাটকের মুখ্যমন্ত্রীর পদ ছেড়ে দিয়ে ভাল সিদ্ধান্ত নিয়েছিল কংগ্রেস। ভালই চলছিল সরকার। কংগ্রেস এবং জেডিএস–‌এর বিচ্ছেদ হয়নি। বিপুল অর্থ ব্যয় হল। জেডিএস, প্রধানত কংগ্রেস ভেঙে সরকার গড়ল বিজেপি। তারপর মধ্যপ্রদেশের পালা। কমল নাথের সরকার ভাঙা হল সেই একই পথে। জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়াকে টানা হল। তঁার অনুগামী এক ডজন বিধায়ককে মন্ত্রী করা হল। জ্যোতিরাদিত্য সম্ভবত কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হতে চলেছেন। পরের টার্গেট রাজস্থান। শচীন পাইলট ছিলেন উপমুখ্যমন্ত্রী এবং প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি। অবিলম্বে মুখ্যমন্ত্রী হতে চাইলেন। ২৮ বছর বয়সে সাংসদ, ৩২–‌এ কেন্দ্রীয় মন্ত্রী, ৩৬–‌এ উপমুখ্যমন্ত্রী। তবু অসন্তুষ্ট। হরিয়ানার রিসর্টে রাখা হয়েছে পাইলট–‌সহ ১৯ বিধায়ককে। মুখ্যমন্ত্রী গেহলেট আস্থা ভোট চাইলেন। রাজ্যপাল নারাজ। দিল্লির নির্দেশে ঝুলিয়ে রেখেছেন, যাতে আরও কয়েকজনকে ভাঙিয়ে সরকার ভাঙা যায়। জ্যোতিরাদিত্য এবং শচীন, দুজনই রাহুল–‌ঘনিষ্ঠ। রাহুল কী করছেন?‌ আর, ভোটে হেরেও ক্ষমতা দখলের খেলায় মত্ত বিজেপি। ‌‌‌

জনপ্রিয়

Back To Top