সুশান্ত সিং রাজপুতের রহস্যজনক মৃত্যুর পর যা যা ঘটে চলেছে, বারবার তার উল্লেখ করতে হয়। পরিষ্কার হবে, কতটা হাস্যকর পর্যায়ে পৌঁছেছে তদন্ত। সর্বভারতীয় প্রতিক্রিয়াশীল চ্যানেল এবং সোশ্যাল মিডিয়ার মূল ‘‌খাদ্য’ রিয়া চক্রবর্তী। সঙ্গে মহারাষ্ট্র সরকার। উদ্ধব–‌পুত্র তথা মন্ত্রী আদিত্য ঠাকরেকে জড়ানোর প্রচার অবশ্য দুর্বল হয়ে গেছে। সুশান্তের বাবা কেকে সিংয়ের অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তে নামে বিহার সরকার, এক্তিয়ার না–‌থাকলেও। পরে তদন্তে তিন কেন্দ্রীয় সংস্থা, ইডি, সিবিআই, এনসিবি। কেকে সিংয়ের প্রাথমিক অভিযোগ ছিল, ‘‌খুনি’‌ রিয়া। ঘটনার রাতে, কয়েক দিন আগে থেকেই, ওই বাড়িতে ছিলেন না রিয়া। এল আত্মহত্যায় প্ররোচনার তত্ত্ব। একইসঙ্গে গুরুতর অভিযোগ, ইডি তদন্ত করল, রিয়া নাকি সুশান্তের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে ১৫ কোটি টাকা সরিয়েছেন। প্রমাণ মেলেনি। তদন্তকারীরাও আর কিছু বলছেন না। তারপর এল অভিযোগ, সুশান্তকে ড্রাগ–‌এ আসক্ত করে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিয়েছেন বান্ধবী। ঘটনা, রিয়ার সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার অনেক আগে থেকেই মাদকাসক্ত ছিলেন সুশান্ত। গঁাজা, অন্যান্য রাসায়নিক মাদক নিতেন। রিয়ার কাছে ১ গ্রামও গাঁজা বা অন্য কোনও মাদক পাওয়া যায়নি। মাদক পাচার চক্রের সঙ্গে যোগের কথা প্রচার করা হচ্ছে। ক্রেতা হয়ে থাকলে, বেশি পরিমাণে হয়ে থাকলে, দণ্ড হবেই। কথা হল, তদন্তটা এখন ড্রাগ নিয়ে। বাবা রামদেব বলেছিলেন, গঁাজা সেবন আইনসিদ্ধ করে দেওয়া দরকার। তঁার পতঞ্জলি সংস্থা রেডি। ভাবুন, কুম্ভমেলা বা সাগরমেলায় কী পরিমাণে গঞ্জিকা সেবন হয়। তাহলে কি হাজার হাজার সাধুকে গ্রেপ্তার করা হবে?‌ ‌‌‌

জনপ্রিয়

Back To Top