বাজেট পেশের পর বিরোধীরা সমালোচনা করবেন, স্বাভাবিক। সেই সূত্রে রাজনৈতিক আক্রমণও করবেন, জানা কথা। বিজেপি–‌র রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ বললেন, গরিবদের বিদ্যুৎ বিলে ছাড় দিয়ে কিছু হবে না। তৃণমূলের সুবিধা হবে না। তফসিলি জাতি ও তফসিলি জনজাতিদের জন্য পেনশন দিয়ে কিছু হবে না। ‌ তৃণমূলের সুবিধা হবে না। কংগ্রেস–‌বাম দলের প্রতিক্রিয়া অনেক ঝাঁঝালো। কিন্তু ফাঁকা। কর্মসাথী প্রকল্প। বছরে এক লক্ষ বেকার তরুণকে ২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ঋণ ও ভর্তুকি দেওয়া হবে। বিরোধী দলনেতা আবদুল মান্নান যা বললেন, এক কাঠি ছাড়িয়ে বললেন বাম পরিষদীয় দলনেতা সুজন চক্রবর্তী। বলে দিলেন, কেউ কিছু পাবে না। সব ফাঁকা আওয়াজ। ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পে বাংলায় দুর্ধর্ষ উন্নতির কথা ওঁরা মানতে চান না। মানুষ মানেন। দেশবাসী জানেন। এমনকী কেন্দ্রের পরিসংখ্যানও জানাচ্ছে, এক নম্বরে বাংলা। ক্ষুদ্র শিল্পে তরুণদের উৎসাহিত করে, আরও বেশি মদত দিয়ে রাজ্য সদর্থক পথে, হজম করতে পারছেন না কংগ্রেস–‌সিপিএম নেতারা। যা বলছেন, নিতান্ত হাস্যকর। হাসির আলো প্রকল্প। অতি গরিব পরিবারকে সুবিধা দিতে বাজেটে ঘোষণা, মাসে ২৫ ইউনিট পর্যন্ত বিদ্যুতে সম্পূর্ণ রেহাই। মান্নান–‌সুজনরা বলছেন, কেন বেশি নয়!‌ সত্যি সুবিধা পাবেন কি না গরিবরা, সন্দেহ। কেন সন্দেহ?‌ জবাব মেলেনি। তফসিলিদের মধ্যে যাঁরা ৬০ বছর অতিক্রম করবেন, তাঁরা মাসে এক হাজার টাকা পেনশন পাবেন। তফসিলি জনজাতির প্রবীণদের ক্ষেত্রেও সমান পেনশন। আর্থিক মাপকাঠি বিবেচ্য নয়। বিরোধী নেতা বলছেন, কেউ পাবে না। সে সব তাঁরা পরে বলবেন!‌ কাকে বলবেন?‌ নিজেদের?‌ মানুষকে বললে বিশ্বাসযোগ্য ও গ্রহণযোগ্য হবে না। আশ্চর্য প্রতিক্রিয়া শুনে বোঝা যায়, বাম–‌কংগ্রেসের ভবিষ্যৎ অন্ধকার।  ‌‌‌

জনপ্রিয়

Back To Top