Dream Flat: স্বপ্নের ফ্ল্যাট বা বাড়ি কেনার পরিকল্পনা রয়েছে? এসে গেল সুবর্ণ সুযোগ!

সুশান্ত সান্যাল: বিশ্বব্যাপী মহামারি বিপর্যয়ের পর ধীরে ধীরে ঘুরে দাঁড়াচ্ছে বিশ্বের অর্থনীতি।

ধীরে ধীরে চাঙ্গা হচ্ছে বাজার। এই সন্ধিক্ষণে এক ইনভেস্টমেন্ট সংস্থার সমীক্ষা জানাচ্ছে যে ভারতে বাড়তে চলেছে রিয়েল এস্টেট ব্যবসা। নিম্নমুখী গৃহঋণ, বিদেশি পুঁজির অবাধ প্রবেশ (According to the data released by Department for Promotion of Industry and Internal Trade Policy (DPIIT), construction is the third-largest sector in terms of FDI inflow) ও  মানুষের চাহিদা শীঘ্রই রিয়েল এস্টেট ব্যবসার শ্রীবৃদ্ধি ঘটাতে চলেছ। তাই বিশেষজ্ঞদের মতে এটাই হতে পারে আপনার স্বপ্নের বাড়ি ঘর কেনার সেরা সময়। তাই এই সুযোগ হাতছাড়া করা ঠিক হবে না।

দু’দিন আগের সরকারি  রিপোর্ট অনুযায়ী ছোট বড় বা মাঝারি সমস্ত বাঙ্কের গৃহঋণের সুদ ঘোরাফেরা করছে ৬.৫০% থেকে ৬.৯৫% এর মধ্যে। যদিও প্রতিটি ব্যাঙ্কের নিজস্ব কিছু নিয়মাবলী রয়েছে। যেমন বেসরকারি ব্যাঙ্ক কোটাক মাহিন্দ্রা দিচ্ছে ৬.৫০% সুদে গৃহঋণ। আবার এইচডিএফসি তে আপনি আবেদন করতে পারেন  মাত্র ৬.৭০% হারে। এলআইসি হাউসিং বা আইসিআইসিআই-এর হার ৬.৯০%। পিছিয়ে নেই দেশের সরকারি ব্যাঙ্কগুলোও। ভারতীয় স্টেট বাঙ্কে এই  সুবিধে পাওয়া যাচ্ছে মাত্র ৬.৭৫% হারে। অন্যদিকে পাঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাঙ্ক এই সুবিধা দিচ্ছে ৬.৯৫% হারে। তাই এই পরিস্থিতিতে আপনি যেমন পাচ্ছেন সর্বনিম্ন হারে গৃহঋণের সুযোগ, তেমনই পাচ্ছেন বহু ডেভেলপারদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ ছাড়ের বাড়তি সুযোগও। আর আয়কর ছাড়ের সুবিধা তো আছেই। চাহিদা বাড়লেই কম সময়ের মধ্যেই হয়তো আপনি হারাতে পারেন এই সুযোগ। তাই সময় নষ্ট না করে সাধ্যের মধ্যে করে ফেলুন স্বপ্নপূরণ। সমীক্ষা আরও জানাচ্ছে যে, আবাসনের চাহিদাই শুধু নয় ,ঘুরে দাঁড়ানো অর্থনীতিতে বিপুল পরিমাণে বাড়তে ছলেছে শপিং মল, হাসপাতাল, রেস্তোরাঁ বা অফিস ঘরের  চাহিদাও। আর এইজন্যই বিদেশি বিনিয়োগের আগ্রহ এখানে বেশি। তাই এসব নিয়ে যাদের চিন্তাভাবনা এখনও পরিকাল্পনার স্তরে আটকে আছে তাদেরও উচিত এখনই স্বপ্ন বাস্তবায়নের ওপর জোর দেওয়া। সূত্র অনুযায়ী, বিদেশে বসবাসকারী প্রচুর সংখ্যক ভারতীয় সন্ধান করছেন ভারতে তাদের বিকল্প বাসস্থানের। যা হয়তো আগামিদিনে আরও বাড়িয়ে তুলবে বাসস্থানের দাম। যদিও তাদের প্রধানত  পছন্দের তালিকায় উঠে আসছে ব্যাঙ্গালুরু, গোয়া বা দিল্লির নাম তবুও কলকাতাই বা পিছিয়ে থাকবে কেন, উঠছে প্রশ্ন।

• সর্বশেষ সুদের হারের তথ্য অনুযায়ী লিপিবদ্ধ।

আকর্ষণীয় খবর