আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ অতিমারী সঙ্কট সত্ত্বেও উর্ধ্বমুখী বাজার। রিটার্ন মিলছে দুই অঙ্কে। এই পরিস্থিতিতে দেখা যাচ্ছে, সরাসরি ইক্যুইটি বাজারে (‌direct stocks)‌ বিনিয়োগের (‌investment)‌ প্রবণতা বাড়ছে লগ্নিকারীদের মধ্যে। লকডাউনের সময়ে দেখা গেছে, ব্রোকিং সংস্থা জেরোধা–র আওতায় প্রত্যেকমাসে প্রায় ২ লক্ষ ডিম্যাট অ্যাকাউন্ট খোলা হয়েছে।    
কিন্তু নতুন বছরেও কি এই প্রবণতা দেখা যাবে?‌ সরাসরি শেয়ার কেনা নাকি মিউচুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগ–কী করা উচিত?‌ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মিউচুয়াল ফান্ডে টাকা খাটালে সেই টাকা একাধিক সংস্থায় বিনিয়োগ করা হয়। উল্টোদিকে পূর্ব অভিজ্ঞতা না থাকলে সরাসরি শেয়ার কেনার কথা ভাবাই উচিত না। কারণ, শেয়ারের ইউনিট প্রতি দাম এতটাই বেশি হয় যে, অন্য সংস্থায় টাকা ঢালার ক্ষেত্রে দু’‌বার ভাবতে হয়। তবে, ধারণা স্পষ্ট হলে এবং কোন কোম্পানির শেয়ার কিনলে লাভের সম্ভাবনা রয়েছে, তা মোটামুটি আন্দাজ করতে পারলে সরাসরি শেয়ারে বিনিয়োগ রিটার্ন বেশি। যদিও এতে ঝুঁকি বেশি। 
কিন্তু মিউচুয়াল ফান্ডের ক্ষেত্রে ফান্ড ম্যানেজার এবং বিশেষজ্ঞরা সারাদিন বাজার পর্যবেক্ষণ করে থাকেন। কোথায় টাকা ঢালতে হবে, কখন টাকা তুলে নেওয়া প্রয়োজন, তা তারা জানেন। ফলত এক্ষেত্রে ঝুঁকিও অনেকটাই কমে যায়।
সরাসরি শেয়ার না মিউচুয়াল ফান্ড, নির্ভর করে স্বল্প না দীর্ঘমেয়াদে বিনিয়োগ করতে চাইছেন, তার ওপরও। কম সময়ের জন্য বিনিয়োগ করতে চাইলে সরাসরি শেয়ার কেনার কথা ভাবতে পারেন। কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে বিনিয়োগ করতে চাইলে মিউচুয়াল ফান্ডের এসআইপি–তে (‌SIP in Mutual Funds)‌ টাকা ঢালাই ভাল। 
 ‌

জনপ্রিয়

Back To Top