আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ আমজনতার কপালে চিন্তার ভাঁজ। ফের কমতে চলেছে পাবলিক প্রভিডেন্ট ফান্ডে সুদের হার। সূত্রের খবর, পিপিএফ–এ সুদের হার কমে ৭%–এর নীচে নামতে চলেছে, যা গত ৪৬ বছরে সর্বনিম্ন। সরকারি বন্ড থেকে আয় ধারাবাহিকভাবে কমে আসায় স্বল্প সঞ্চয় প্রকল্পগুলিতে সুদের হার কমিয়ে আনার পথে হাঁটছে কেন্দ্র। সূত্রের বক্তব্য, আগামী ত্রৈমাসিকে সুদের হার নির্ধারণ করার সময়ে ছেঁটে ফেলা হতে পারে পিপিএফ সহ অন্যান্য স্বল্প সঞ্চয় প্রকল্পের সুদের হার। কেন্দ্রীয় সরকারের কয়েকটি মাত্র স্বল্প সঞ্চয়ের প্রকল্প রয়েছে, যাতে টাকা রেখে নিশ্চিন্ত থাকতে পারেন প্রবীণ নাগরিকেরা। পাশাপাশি কর বাঁচাতে বা ভবিষ্যতের কথা মাথায় রেখে পিপিএফ–এ বহু চাকুরিজীবী মানুষ টাকা রাখেন, তাঁদেরও সুদ বাবদ আয়ে টান পড়বে। গত এপ্রিল মাসেই পিপিএফ–এ সুদের হার ৭.‌৯% থেকে ৭.‌১%–এ কমিয়ে এনেছিল কেন্দ্র। ওই ধাক্কাতেই কমেছে এক বছর থেকে পাঁচ বছরের মেয়াদি আমানত, পাঁচ বছরের রেকারিং ডিপোজিট, সিনিয়র সিটিজ়েন সেভিংস স্কিম, মাসিক আয় প্রকল্প, এনএসসি, কেভিপি ও সুকন্যা সমৃদ্ধি যোজনায় সুদের হার। 
সম্প্রতি বিশ্বজুড়ে শেয়ার বাজার পড়ায় বিপুল অর্থ খুইয়েছেন লগ্নিকারীরা। এবার পিপিএফ প্রকল্পেও ধাক্কা দিল কেন্দ্র। প্রশ্ন উঠছে, কোথায় টাকা রাখবেন আমজনতা?‌ বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, পিপিএফ–এ সুদ কমলে অতটাও সমস্যা হবে না কারণ গত ছ’‌মাস ধরে মুদ্রাস্ফীতিও ৭%–এর নীচেই রয়েছে। ফলে এই সুদের হারেও বাজার দরের চেয়ে বেশি টাকাই পাবেন গ্রাহকেরা। তবে লকডাউনের কারণে খাদ্য দ্রব্যের মূল্যবৃদ্ধি গত মে মাসে ৯.‌২৮% ছুঁইয়েছিল। এখন তো জ্বালানির দাম ধারাবাহিকভাবে বেড়েই চলেছে, যা আগামীদিনে মুদ্রাস্ফীতি আরও বাড়াবে।  

জনপ্রিয়

Back To Top