আজকাল ওয়েবডেস্ক: লকডাউনের জন্য পানশালা, রেস্তোরাঁ বা ফুটপাথের ধারের চপের দোকান বন্ধ থাকায় বড়রকমের ধাক্কা খেয়েছে বাদাম এবং আলু চাষের বাজার। কারণ, সাধারণত পানশালায় মদের সঙ্গে মুখোরোচক খাবার হিসেবে বাদাম এবং আলুর চিপস্‌–এর প্রচলন রয়েছে ভারতে। একইসঙ্গে বিভিন্ন রেস্তোরাঁয় শিঙারা, আলু টিক্কি, ফ্রেঞ্চ ফ্রাই–এর মতো আলু দিয়ে নানাধরনের মুখোরোচক পদ জনপ্রিয় ভারতের বিভিন্ন প্রান্তে। আর তাই আলু এবং বাদাম চাষিরা এই সব জায়গায় বিক্রি করে মোটা অঙ্কের লাভ পান। অথচ লকডাউনের ফলে রেস্তোরাঁগুলি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় আলু বা বাদাম বিক্রি কমে গিয়েছে। গত মাসে দেশে আলুর দাম পড়েছিল ১২ শতাংশ। হিমঘর থেকে আলু বিক্রি কমেছে গত মাসে ৫০ শতাংশ। বলছেন উত্তর প্রদেশের হিমঘর সংগঠনের সভাপতি অরবিন্দ আগরওয়াল। চাহিদা না থাকায় বাদামের দামেও পতন ঘটেছে। সাধারণত দেশে সব থেকে বেশি, ১৫.‌৫ মিলিয়ন টন আলু উৎপাদন হয় উত্তর প্রদেশেই। তারপরই আছে বাংলার স্থান। বাংলায় ১০ মিলিয়ন টন আলু উৎপন্ন হয়। হোটেল, রেস্তোরাঁয় চাহিদা না থাকায় গত মাসে বাংলাতেও আলুর চাহিদা পড়েছে ৩০ শতাংশ এবং দাম পড়েছে ৯ শতাংশ। হিমঘরে এখনও পড়ে আছে ৫.‌৭ মিলিয়ন টন আলু। জানালেন বাংলার হিমঘর সংগঠনের সদস্য পতিতপাবন দে।
একই অবস্থা কাঁচা আনাজপাতি, ফুল, ফলেরও। লকডাউনের জন্য সেভাবে বাজার না খোলা থাকায় হিমঘরে পড়ে থেকে পচে যাচ্ছে অনেক উৎপাদিত পণ্য। তাই এবছর বড় অঙ্কের লোকসানের আশঙ্কায় তটস্থ ব্যবসায়ীরা।  ‌

জনপ্রিয়

Back To Top