আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ এ কোন সকাল এতো রাতের চেয়েও অন্ধকার!‌ এই কথাটা আজ বেশি করে উঠতে শুরু করেছে। ‌কিন্তু কেন?‌ কারণ ২০১৬ সালের ৮ নভেম্বর দেশে নোট বাতিল হয়েছিল। তা নিশ্চয়ই সবার মনে আছে। যার প্রেক্ষিতে বলা হয়েছিল দেশে কালো টাকা রুখতে এবং জালনোট আটকাতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তখন বাতিল করা হয়েছে ১০০০ ও ৫০০ টাকার নোট। আর নিয়ে আসা হয়েছিল ২০০০ টাকার নোট। তাহলে কী দেশ থেকে কালো টাকা মুছে গিয়েছে?‌ জালনোট আটকানো সম্ভব হয়েছে?‌ তিন বছর পর এই প্রশ্নই জোরালো হয়ে উঠতে শুরু করেছে। 
এই নোট বাতিল করে দেশের অর্থনীতি হাল ফিরবে না বলে আগেই সতর্ক করেছিলেন অর্থনীতিবিদরা। বরং ২০০০ টাকার নোট বাজারে আনলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হবে। সমাজ বিরোধীমূলক কাজ করা আরও সহজ হবে। আর তিন বছর পর দেশের অর্থনৈতিক পরিবেশ ক্রমশ খারাপ হচ্ছে। সমস্যার যে সমাধান হয়নি তা বোঝা গেল কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী দেওয়া তথ্যে। 
কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ রাজ্যসভায় দাঁড়িয়ে বলেন, চলতি অর্থবর্ষে ৪৩.‌২২ শতাংশ বেহিসেবি নগদ টাকা বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। আর তার সবই ২০০০ টাকার নোট। এদিকে এই পরিস্থিতিতে ২০০০ টাকার নোট ছাপানো বন্ধ করে দেওযা হয়েছে বলে স্বীকার করে নিয়েছে ভারতের রিজার্ভ ব্যাঙ্ক। তাহলে নোট বাতিল যে কারণে করা হয়েছিল সেই উদ্দেশ্য কী পূরণ হল?‌ উঠছে প্রশ্ন। ‌‌

জনপ্রিয়

Back To Top