আজকাল ওয়েবডেস্ক: পকেটের টাকা দ্বিগুণ করতে কে না চায়। সেজন্য বাজারে একাধিক উপায়, সুযোগ–সুবিধা আছে। তার মধ্যে কিছু আইনসিদ্ধ হলেও অনেক প্রতারণাকারী সংস্থাও আছে। সেই সব দিক বাঁচিয়ে নিজের টাকা দ্বিগুণ করার রয়েছে কয়েকটি উপায়। তার মধ্যে এই পাঁচটি উপায় চেষ্টা করে দেখতে পারেন—
প্রথমত, স্টক মার্কেট। বছরের পর বছর ধরে শেয়ার বাজারে বিনিয়োগ করে বহু মানুষ অনেক লাভ করেছেন। ভারতের শেয়ার বাজারে গত এক দশকে বার্ষিক আয়ের ফেরতযোগ্য হার ১৫ শতাংশ। কোনও বড় কোম্পানিতে বেশি লগ্নি করলে আপনার টাকা পাঁচ থেকে সাত বছরের মধ্যে দ্বিগুণ হয়ে যেতে পারে। তবে এজন্য শেয়ার বাজারের ওঠানামা, মৌলিক বিষয় এবং প্রযুক্তি সম্পর্কে সম্যক জ্ঞান থাকাটা জরুরি
দ্বিতীয়ত, মিউচুয়াল ফান্ড বা এমএফ। দেশে এখন প্রচুর এমএফ আছে। যদিও এমএফ–এ লগ্নি করা কিছুটা ঝুঁকির কিন্তু অন্য বিনিয়োগকারী সংস্থার বদলে এমএফ–এ বিনিয়োগ করলে টাকা বেশি হারে ফেরত পাওয়ার আশা থাকে। দীর্ঘমেয়াদি এমএফ–এ বার্ষিক গড়ে ১২–১৫ শতাংশ লাভ পেতে পারেন। তার মানে ছয় থেকে সাত বছরের মধ্যে আপনার টাকা দ্বিগুণ হয়ে যাবে। 
তৃতীয়ত ন্যাশনাল সেভিংস সার্টিফিকেট বা এনএসসি। বেশি টাকা বিনিযোগ করতে না চাইলে, নির্দিষ্ট সুদের হারে ভারতীয় ডাকঘরের এই সুবিধা সর্বদাই ঝুঁকিহীন। পাঁচ বছরের এনএসসি–তে বার্ষিক আট শতাংশ সুদ পাওয়া যায়। আয়কর আইন ১৯৬১–র ৮০ সি ধারায় এনএসসি–তে ঋণও নেওয়া যাবে যে কোনও ব্যাঙ্ক থেকে। নয় বছরে এনএসসি–তে আপনার টাকা দ্বিগুণ হয়ে যাবে।
চতুর্থত, কর্পোরেট ডিপোজিটস্‌ এবং নন কনভার্টিবল্‌ ডিবেঞ্চার্স বা ‌এনসিডি‌। বেসরকারি ঋণদানকারী সংস্থা এবং কর্পোরেট অফিসগুলি ব্যাঙ্কের ফিক্সড ডিপোজিটস্‌–এর বদলে এনসিডি এবং কর্পোরেট ডিপোজিটস্‌–এ বেশি সুদের প্রস্তাব দেয়। সাত থেকে নয় বছরে এনসিডি–তে টাকা দ্বিগুণ হয়ে যায়। 
পঞ্চমত কিষাণ বিকাশ পত্র বা কেভিপি। নতুন আইন অনুযায়ী ২০১৫–১৬ সালে কেভিপি পুনর্গঠিত হয়। নগদে ৫০০০০ টাকা পর্যন্ত কেভিপি–তে বিনিয়োগ করলে প্যান কার্ডের তথ্য বাধ্যতামূলক। কেভিপি–র সুদের হার কেন্দ্রীয় অর্থ মন্ত্রকের ঘোষণা অনুযায়ী বাড়তে বা কমতে পারে। বর্তমানে নয় বছর চার মাসের জন্য করা কেভিপি–তে বার্ষিক সুদের হার ৭.‌৭ শতাংশ। আয়কর আইনের ৮০ ধারায় কেভিপি সংযুক্ত না।

জনপ্রিয়

Back To Top