আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ ফের কাজে ফিরছেন পরিযায়ী শ্রমিকেরা। কেউ শ্রমিক ট্রেনে টেপে, আবার অনেক ক্ষেত্রে মালিকেরাই নিজেদের উদ্যোগে পরিযায়ীদের শহরে ফিরিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। লকডাউনে আটকে গিয়েছে বড় বড় বাড়ি তৈরির কাজ। মাঝপথেই বন্ধ হয়ে গিয়েছিল বহু প্রোজেক্ট। আনলক পর্বে ফের অসম্পূর্ণ কাজে হাত দিচ্ছেন মালিকরা। শ্রমিকের প্রয়োজন পড়তেই ছত্তিশগড়, বিহার, উত্তরপ্রদেশ, পশ্চিমবঙ্গ, ওডিশা, ঝাড়খণ্ড, রাজস্থান থেকে ফেরানো হচ্ছে পরিযায়ীদের, জানাচ্ছেন বিভিন্ন শিল্প তালুকের মালিকেরা। মুম্বই–এর পূর্ব আন্দেরীতে ফের চালু হয়েছে মেট্রোর কাজ। অন্তত হাজার পরিযায়ী শ্রমিককে ডেকে আনা হয়েছে এই কাজের জন্য, জানাচ্ছে মুম্বই মনেট্রোপলিটন রিজিয়ন ডেভেলপমেন্ট অথোরিটি। আবাসন প্রকল্পের অসম্পূর্ণ কাজও শুরু হয়েছে। ‘‌শ্রমিকেরা ফের কাজের সন্ধানে শহরে চলে আসছেন। ওঁদেরও কাজ দরকার! যদিও‌ এই সময়ে ওঁরা গ্রামেই ফিরে যায় সাধারণত। চাষের কাজ শেষ করতে। তবে জলদি ফিরেও আসেন।’ 
তবে সবাই ফিরছেন, এমনটা নয়। বহু ক্ষেত্রেই শ্রমিকের অভাব দেখা দিচ্ছে। ফলত স্থানীয় শ্রমিক দিয়েই ঘাটতি পূরণের কথা ভাবছে অনেক সংস্থা। আবাসন এবং পরিকাঠামোগত কাজে স্থানীয় মজুরদেরই কাজে লাগানোর কথা ভাবছে মহারাষ্ট্র। ‌সম্প্রতি মহারাষ্ট্রের মন্ত্রী নবাব মালিক বলেন, ‘‌স্থানীয় শ্রমিকরা যথেষ্ট পারদর্শী কিনা, জানতে বিভিন্ন বণিকসভা এবং সরকারি দপ্তরগুলির সঙ্গে যোগাযোগ রাখছি আমরা। ওঁদের যদি কোনও প্রশিক্ষণের প্রয়োজন পড়ে, সেই ব্যবস্থাও করা যাবে সরকার থেকে।’‌ মহারাষ্ট্র এবং গুজরাটে ইতিমধ্যেই ৩০%–৪০% পরিযায়ী শ্রমিক ফিরে এসেছেন। তাঁরা জানে, শুধু সরকারি ১০০ দিনের প্রকল্পে কাজ করে সংসার চালানো সম্ভব নয়। শুধু পুরনো শ্রমিকেরাই নন, নতুনরাও কাজে নেমে পড়ছেন এখন,  বলছেন সিআইইএল এইচআর সার্ভিস ডিরেক্টর এবং সিইও আদিত্য মিশ্র। 
বেশ কয়েকটি শিল্প সংস্থার বক্তব্য, ‘‌স্থানীয় শ্রমিকরা এখন বেশি মজুরি চাইছেন। লকডাউনের কারণে এবং সংক্রমণের ভয়ে তাঁরা এদিক–ওদিক যেতেও চাইছেন না। মনে হয়, আগস্টের মধ্যেই আরও শ্রমিকর কাজের জায়গায় ফিরে আসবেন।’‌        

জনপ্রিয়

Back To Top