আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌‌ ‌চীনের পরিবর্তে ভারত বা বাংলাদেশে বিনিয়োগ করলে কোম্পানিগুলিকে আর্থিক সাহায্য দেবে জাপান সরকার। দক্ষিণ–পূর্ব এশিয়ায় চীন নির্ভরতা কাটিয়ে নিজস্ব জোগান শৃঙ্খল তৈরি করতে চাইছে জাপান। লক্ষ্য এমনই এক পরিকাঠামো তৈরি করা, যা কিনা জরুরি পরিস্থিতিতেও প্রতিবেশী দেশে ওষুধ এবং ইলেকট্রনিক্স যন্ত্রপাতির জোগান দিতে পারবে, জানাচ্ছে জাপানি সংবাদপত্রিকা নিক্কেই। আগেই এসিয়ান দেশগুলি অর্থাৎ ব্রুনেই, কাম্বোডিয়া, ইন্দোনেশিয়া, লাওস, মালয়েশিয়া, মায়ানমার, ফিলিপিন্স, সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড এবং ভিয়েতনামে বিনিয়োগ বাড়াতে দেশি সংস্থাগুলিকে উৎসাহ দিচ্ছে জাপান সরকার। আর তার জন্য বাজেটে ১৬০০ কোটি টাকা বরাদ্দ বাড়িয়েছে অর্থ দপ্তর। এবার এসিয়ান দেশগুলির সঙ্গে ভারত এবং বাংলাদেশকেও ওই তালিকায় নিয়ে আসতে চাইছে জাপান সরকার, দাবি ওই সংবাদপত্রিকার। 
কোভিড পরিস্থিতি এবং দক্ষিণ চীন সাগর এলাকায় চীনা আগ্রাসনের পরিপ্রেক্ষিতেই বেজিং–এর সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্কে দূরত্ব বজায় রাখতে চাইছে জাপান। দক্ষিণ চীন সাগরের ৯০% এলাকাকেই নিজেদের বলে দাবি করতে শুরু করেছে বেজিং। চীনের এই পদক্ষেপের তীব্র বিরোধিতা করছে ভিয়েতনাম, তাইওয়ান, ইন্দোনেশিয়া, ব্রুনেই। বিরোধিতায় মদত দিচ্ছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। সীমান্ত বিবাদ নিয়ে ভারতের সঙ্গে চীনের উত্তেজনা চরমে। এই পরিস্থিতিতে চীন নির্ভরতা কমিয়ে জোগান শৃঙ্খল চাঙ্গাই করাকেই পাখির চোখ করেছে জাপান সরকার।     

জনপ্রিয়

Back To Top