আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ গ্রামীণ অর্থনীতিতে জোর দিয়ে অর্থনৈতিক মন্দা রুখে দিতে পারে ভারত। বললেন মার্কিন অর্থনীতিবিদ রিচার্ড ডেভিস উলফ। প্রাক–করোনা পর্বেই ছিল টলোমলো দশা। মোদির দ্বিতীয় দফার প্রথম বছরে একটু একটু করে খাদের কিনারায় এসে দাঁড়িয়েছিল ভারতের অর্থনীতি। করোনা আর তার পিছু পিছু লকডাউন এসে এক ধাক্কায় খাদেই ফেলে দিল অর্থনীতিকে। শুধু ভারতই নয়, করোনাভাইরাসের ধাক্কা খুব শিগগিরি সামলে উঠতে পারবে না বিশ্ব অর্থনীতি। পাশাপাশি আবহাওয়া পরিবর্তন, বৈষম্য, স্থায়ীত্বের অভাবের কারণে ক্ষত দীর্ঘমেয়াদি হবে, আশঙ্কা প্রবীণ অর্থনীতিবিদের। 
তিনি বলেন, কম জনঘনত্বের গ্রামীণ এলাকার কাঁধে ভর দিয়ে পা ফেলুক ভারত। জোর দেওয়া হোক চাষাবাদে, খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ শিল্পে। শস্য মজুতের পরিকাঠামো বাড়ানো হোক, যাতে ভবিষ্যতে খাদ্যের অভাব দেখা না দেয়। ম্যাসাচুসেটস বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক জানাচ্ছেন, করোনা সংক্রমণের শৃঙ্খল ভাঙতে না পারলে অর্থনীতির চাকা ঘোরানো সম্ভব নয়। তাই সামাজিক দূরত্ব বিধি, মাস্ক–গ্লাভস পরাও বাধ্যতামূলক। লকডাউনে কাজ খুইয়েছেন কোটি কোটি মানুষ। অর্থনীতির পালে হাওয়া দিতে ফের ওই গরিব, দিনমজুর, চাকুরিজীবীদের জন্য রুজিরুটির জোগাড় করতে হবে সরকারকেই। দেশজুড়ে গরিবির কারণেই স্বাস্থ্য, বাসস্থান, শিক্ষাব্যবস্থায় চিড় ধরেছে এতদিন ধরে। করোনাভাইরাসের ধাক্কায় সেই ফাটল বরাবর এখন ধ্বস নেমেছে। গোটা ব্যবস্থাটা নতুন করে গড়ে তুলতে গেলে জিডিপির ১০%–এর সমান আর্থিক প্যাকেজে কাজ হবে না। প্রয়োজন সদিচ্ছা এবং আরও বড় আর্থিক সাহায্যের, বলছেন উলফ। 

জনপ্রিয়

Back To Top