আজকালের প্রতিবেদন: কেন্দ্রীয় সরকার পরিচালিত গ্রন্থাগারগুলিতে বেতন–বৈষম্য ও গ্রন্থাগারগুলির আরও উন্নতির জন্য দু ‌দিনের এক আন্তর্জাতিক মানের আলোচনাসভা শুরু হল কলকাতার আর এন মুখার্জি প্রেক্ষাগৃহে। চলবে শনিবার পর্যন্ত। দেশের বিভিন্ন রাজ্যের গ্রন্থাগারের প্রতিনিধি ছাড়াও যোগ দিচ্ছেন বিদেশের গ্রন্থাগারের প্রতিনিধিরাও। আয়োজক সেন্ট্রাল গভর্নমেন্ট লাইব্রেরি অ্যাসোসিয়েশন (‌সিজিএলএ)‌ ও দ্য ইনস্টিটিউশন অফ ইঞ্জিনিয়র্স (‌ইন্ডিয়া)‌। সহযোগিতায় ইন্টারন্যাশনাল ফেডারেশন অফ লাইব্রেরি অ্যাসোসিয়েশনস অ্যান্ড ইনস্টিটিউশনস (‌আইএফএলএ)‌ এশিয়া অ্যান্ড ওশিয়ানিয়া।  
এদিন, সিজিএলএ–‌র সভাপতি ড.‌ এ কে সুমন বলেন, ‘‌দেশে যে–সমস্ত গ্রন্থাগার সরাসরি কেন্দ্রীয় সরকার পরিচালিত ও যেগুলি অনুদানপ্রাপ্ত সেখানকার গ্রন্থাগারিকদের বেতন–বৈষম্য রয়ে গেছে। তা দূর করতে হবে। আমাদের দাবি, ‘‌লাইব্রেরি সায়েন্স ক্যাডার’‌ নিয়োগ চালু করতে হবে।’‌ উপস্থিত ছিলেন কলকাতা শাখার অ্যাসিস্ট্যান্ট লাইব্রেরি অ্যান্ড ইনফর্মেশন অফিসার ড.‌ চিত্তরঞ্জন পাত্র, পার্থসারথি দাস ও অন্য প্রতিনিধিরা। সভা থেকে উঠে আসা মতামত কেন্দ্রীয় সংস্কৃতি মন্ত্রকে পাঠানো হবে। 
উদ্যোক্তারা স্বীকার করেন, ইন্টারনেটের দাপটে হালফিল পাঠকেরা আর গ্রন্থাগারমুখো হচ্ছেন না। সে প্রসঙ্গে ড. ‌এ কে সুমন বলেন, ‘‌এই ব্যাপারটা মাথায় রেখেই আমাদের দাবি, কেন্দ্রীয় সরকার পরিচালিত গ্রন্থাগারগুলিকে নির্দিষ্ট একটা সফ্‌টঅয়্যারের অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। ‌যাতে কোথায় কী কী বই আছে, জানা যায়। বিভিন্ন গ্রন্থাগারে কর্মীসঙ্কটও মেটাতে হবে।’‌ কর্মীদের গ্রন্থাগার বিজ্ঞানের প্রশিক্ষণও দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন ড.‌ চিত্তরঞ্জন পাত্র। 

সেন্ট্রাল গভর্নমেন্ট লাইব্রেরি অ্যাসোসিয়েশনের ২ দিনের আন্তর্জাতিক সম্মেলনের সাংবাদিক বৈঠকে বাঁ দিক থেকে পার্থসারথি দাস, ড. এ কে সুমন ও শ্রীকুমার সঞ্জয়। গোখেল রোডে আর এন মুখার্জি প্রেক্ষাগৃহে, শুক্রবার। ছবি: বিজয় সেনগুপ্ত

জনপ্রিয়

Back To Top