আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ আয় নেই। কর আদায় প্রত্যাশামতো হয়নি। ফলে আর্থিক ঘাটতি চরমে। আর তাই একই আর্থিক বছরে দ্বিতীয়বার রিজার্ভ ব্যাঙ্কের কাছে হাত পাততে চলেছে মোদি সরকার। সূত্র উদ্ধৃত করে এমনটাই জানিয়েছে সংবাদসংস্থা রয়টার্স। অন্তর্বর্তী ডিভিডেন্টে চেয়ে আসন্ন বাজেটের আগেই অর্থ মন্ত্রকের তরফে দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্কের কাছে আবেদন করা হতে পারে বলে গোটা প্রক্রিয়ার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত অন্তত তিন জন শীর্ষকর্তা জানিয়েছেন। মোদি সরকারে যুক্তি, চলতি অর্থবর্ষ নাকি অন্যান্য বছরের তুলনায় ‘‌ব্যতিক্রমী’। তাই প্রয়োজন ওই বাড়তি ডিভিডেন্ট। জানা গিয়েছে, এবারের টাকার অঙ্কটি হতে পারে ৩৫ থেকে ৪৫ হাজার কোটি টাকা। ‌
সংসদে পেশ করা বাজেটে চলতি আর্থিক বছরের জন্য ₹৭.০৩ ট্রিলিয়ন আর্থিক ঘাটতির লক্ষ্যমাত্রা রাখা হয়েছিল। যা জিডিপির ৩.৩ শতাংশ। কিন্তু পণ্যের চাহিদা ভাল নয়। বৃদ্ধির হার গত ১১ বছরের তলানিতে নামার আশঙ্কা শুনিয়েছে খোদ কেন্দ্রের পরিসংখ্যান মন্ত্রক। সব মিলিয়ে অর্থবর্ষের শেষে কর আদায় সন্তোষজনক জায়গায় পৌঁছনোর সম্ভাবনা ক্ষীণ। অথচ বেশ কয়েক দফা ত্রাণ প্রকল্পের পরেও কেন্দ্রের থেকে আরও সাহায্যের প্রত্যাশায় রয়েছে শিল্পক্ষেত্রগুলি। পাশাপাশি পরিকাঠামো ক্ষেত্রে বিপুল লগ্নির কথা ঘোষণা করেছে কেন্দ্র। ফলে বাড়ছে আর্থিক বাধ্যবাধকতা। যা পরিস্থিতি তাতে সরকারের আর্থিক ঘাটতির লক্ষ্যভ্রষ্ট হওয়া শুধু ঘোষণার অপেক্ষা। আর এই পরিস্থিতিতে কেন্দ্রের একমাত্র ভরসা রিজার্ভ ব্যাঙ্ক। আর এই অনুরোধ আরবিআই গ্রহণ করলে এই নিয়ে টানা তিন বছর দেশের সর্বোচ্চ ব্যাঙ্কের থেকে অন্তর্বর্তী ডিভিডেন্ট বাবদ অর্থ কেন্দ্রের কোষাগারে ঢুকবে। আর এক আর্থিক বছরে দু’‌বার। এর আগে বিমল জালান কমিটির সুপারিশে কেন্দ্রীয় সরকারকে ১,৭৬,০৫১ কোটি টাকার অর্থ সাহায্য করেছে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক। তবুও কেন আরও টাকা প্রয়োজন?‌ উঠছে প্রশ্ন।

জনপ্রিয়

Back To Top