আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ প্রধানমন্ত্রীর ‘‌আত্মনির্ভর ভারত’‌ স্লোগানকে বাস্তবায়িত করার প্রয়াসে চীন সহ বিভিন্ন বিদেশি পণ্যে লাগাম টানছে কেন্দ্র। তাই এসি, টিভি, আলু, জুতো, ইস্পাত, অ্যালুমিনিয়াম, গাড়ি এবং মোবাইলের যন্ত্রাংশ সহ প্রায় ১০–১২টি পণ্য এবং তাদের যন্ত্রাংশ আমদানির উপর লাইসেন্স বসানোর চিন্তাভাবনা করছে সরকার। কেন্দ্র বিদেশি বাণিজ্যের ডিজিকে বলেছে, কোন কোন পণ্যের উপর প্রাথমিকভাবে লাইসেন্স বসানো হবে সেব্যাপারে তদারক করতে। তবে এই তালিকার মধ্যে এসি–কেই প্রাধান্য দিচ্ছে কেন্দ্র।   
কয়েক মাস আগেই পাম অয়েল, ধূপকাঠি, টায়ারের মতো প্রাথমিক পণ্যে লাইসেন্স বসানো হয়েছিল। এবার লাদাখকাণ্ডের পর সেই তালিকা দীর্ঘায়িত হওয়ার ইঙ্গিত মিলল। সূত্রের খবর, এসি এবং তার যন্ত্রাংশ আমদানি কমানোর মূল লক্ষ্য, ঘরোয়া উৎপাদনে জোর দেওয়া। শুল্ক বাড়িয়ে দেওয়া বা প্রযুক্তিগত বাধানিষেধ আরোপ করে যেমন আমদানির হার কমানো সম্ভব। কিন্তু বন্দরে কিছু নির্দিষ্ট পণ্যের আমদানিতে লাইসেন্স বসাতে হলে আলোচনা দরকার। যেমন লাইসেন্স বসানো মানে কয়েকটি মনোনীত দেশ থেকেই আমদানি করা যাবে। এছাড়া নির্দিষ্ট বন্দর থেকে আমদানি করা পণ্য আসলে সেগুলি ভালোভাবে নিরীক্ষণ করা সম্ভব।
সম্প্রতি বাণিজ্য এবং শিল্পমন্ত্রী পীযূষ গোয়েলের সঙ্গে হওয়া একটি বৈঠকে মাহিন্দ্রা অ্যান্ড মাহিন্দ্রার এমডি     পবন গোয়েঙ্কার নেতৃত্বে বিভিন্ন কোম্পানির সিইও–রা বলেছিলেন, শুল্ক বাড়িয়ে আমদানিতে হ্রাস টানতে। সরকার দেখেছিল, ৭০ লক্ষ এসির মধ্যে প্রায় এক–তৃতীয়াংশই আমদানি করা হয়। বাকিগুলি দেশেই জোড়া হয়। এবং এই বিভাগের মধ্যে প্রায় ৯০ শতাংশ কম্প্রেসর আসে চীন বা থাইল্যান্ড থেকে। প্রাথমিকভাবে সেটা নিয়ে আলোচনা করছে প্যানাসনিকের এমডি মণীশ শর্মার নেতৃত্বাধীন একটি দল। অন্য দিকে টিভি–র ক্ষেত্রে দেশে ফেব্রিকেশনের সুযোগ না থাকাটা একটা সমস্যা। তাই আসিয়ানভুক্ত ভারতের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির সুবিধা নিয়ে স্যামসাং–এর মতো কোম্পানি ভিয়েৎনাম থেকে এগুলি আমদানি করে থাকে। 

জনপ্রিয়

Back To Top