■ বিয়ের আগের রাতেও মা–‌মরা মেয়েটার মুখ তুলে ধরে বাবা বলেছেন, ‘‌মা, দেখ তো, কানেরটা পছন্দ হয়েছে কি না!‌’‌ চোখে জল এসে গিয়েছিল সোনালির। বাবা তো আর স্টাইল বোঝেন না, এক–‌হৃদয়–‌ভর্তি আবেগ আছে তঁার। সেই আবেগের রঙে সোনা যেন আরও রাঙা হয়ে ফোটে। 
বাংলায় নাকি এক–‌এক ঘরের বালিশের তলায় এক–‌একটি উপন্যাসের প্লট লুকিয়ে থাকে!‌ তেমনই, সোনা শুধু অলঙ্কার হয়েই থাকে না, প্রতিটি গয়নার অন্দরে থাকে এক–‌একটি গল্প। আর সেই গল্পগুলোকেই আদ্দিকালের ঠাকুমার মতো বয়ে নিয়ে চলেছে আড়াইশো বছর পুরনো প্রতিষ্ঠান সাওয়নসুখা জুয়েলার্স। তবে এত দিন সোনায় তেমন যাতায়াত ছিল না এই স্বপ্নের কারিগরদের। এত দিন তঁারা ছিলেন হীরের ব্যবসায়ী। এই প্রথম তঁারা এলেন সোনার বাজারে। কলকাতার ৯ নম্বর ক্যামাক স্ট্রিটে ২২ ডিসেম্বর উদ্বোধন হয়েছে সাওয়নসুখা জুয়েলার্সের এক্সক্লুসিভ সোনার অলঙ্কার–‌‌বিপণি ‘‌সোহনা’র‌। 
সেই বিপণির অন্দরে থাকছে গয়নার অসংখ্য ডিজাইন। হাতে তুলে দেখলে যে–‌কোনও ক্রেতার চোখ কপালে উঠবেই। স্বর্ণকারেরা বলছেন, এই দোকানে পাওয়া যাবে সেরা মানের সোনার গয়না। দামেও তেমন বেশি নয় ‘‌সোহনা’‌র অলঙ্কার। আর লেনদেনেও লাভের অঙ্ক বেশি থাকবে ক্রেতারই। তাই পঞ্চমীর সকাল থেকে যে–‌সম্ভার নিয়ে পশরা সাজাবে সাওয়নসুখা, তা কিন্তু না–‌দেখলে মিস্‌ করবেন অলঙ্কার–‌প্রেয়সীরা। আর, সোনা তো শুধু অলঙ্কার নয়, ভবিষ্যতের পেশিতে আরও জোর জোগাতে সোনাই কিন্তু ভিটামিন ট্যাবলেটের কাজ করে!‌ তাই ভবিষ্যৎকে সোনায় মুড়ে রাখতেও দরকার হয় খঁাটি স্বর্ণ–‌মণি। সেদিকেও খেয়াল আছে সাওয়নসুখার। তঁাদের হাতেই যে আলো পাবে আপনার সোনায় মোড়া ভবিষ্যৎ!‌‌

নতুন শোরুম সোহনা–র উদ্বোধনের পর রুপচাঁদ সাওয়ানসুখা ও ছেলে সিদ্ধার্থ। ক্যামাক স্ট্রিটে, সোমবার।  ছবি: অভিজিৎ মণ্ডল

জনপ্রিয়

Back To Top