আজকালের প্রতিবেদন: চেক ক্লিয়ারিং যাতে দ্রুত হয়, সেজন্য সারা দেশে এবার চেক ট্রা‌ঙ্কজাকশন সিস্টেম বা সিটিএস চালু হবে। এতদিন শুধু বড় বড় শহরগুলিতে এই ব্যবস্থা চালু ছিল। এই ব্যবস্থায় ক্লিয়ারিংয়ে কাগজের চেকটি না পাঠিয়ে তার ইলেকট্রনিক ছবি পাঠানো হয়। ফলে তিন দিনের জায়গায় জমা দেওয়ার দিনেই (‌সাধারণত দুপুর বারোটার মধ্যে জমা দিলে)‌ চেক ক্লিয়ার হয়ে যায়। এই ব্যবস্থা সারা দেশে চালু হলে ছোট শহর বা গ্রামের মানুষও উপকৃত হবেন। রিজার্ভ ব্যাঙ্ক (‌আরবিআই)‌–এর বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বড় ক্লিয়ারিং হাউসগুলিতে সিটিএস ব্যবস্থা ’‌সুস্থিত’‌ হওয়ার পর এখন সারা দেশে এই বছরের সেপ্টেম্বর মাসের মধ্যে তা চালু করা হবে। তা ছাড়া সারা দেশে ডিজিটাল ব্যবস্থায় কত লেনদেন হচ্ছে, তা জানানোর জন্য কিছুদিন বাদে বাদে একটি রিপোর্ট (‌ডিপিআই)‌ প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছে আরবিআই। 
এদিন আরবিআইয়ের গভর্নর শক্তিকান্ত দাসের নেতৃত্বাধীন ছয় সদস্যের আর্থিক নীতি কমিটি তাদের বৈঠকে রেপো রেট অপরিবর্তিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কারণ এখন মুদ্রাস্ফীতি ধীরে ধীরে বাড়ছে এবং অর্থনীতির ঊর্ধ্বগতিও ক্রমশ শ্লথ হচ্ছে। এই অবস্থায় সুদের হার কমালে মুদ্রাস্ফীতি বাড়বে, আবার হার বাড়ালে বৃদ্ধির হার আরও কমবে। তাই পরিস্থিতি সামাল দিতে চলতি আর্থিক বছরের ষষ্ঠ দ্বি-মাসিক নীতিতে রেপো রেট ৫.১৫ শতাংশেই রাখল কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্কটি। 
এই সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে কমিটির সব সদস্যই এক মত হয়েছেন। আরবিআই যে সুদের হারে বাণিজ্যিক ব্যাঙ্কগুলিকে ঋণ দিয়ে থাকে তাই হল রেপো রেট। সেই সঙ্গে, ২০২০-’‌২১ আর্থিক বছরে (‌এপ্রিল–মার্চ) দেশের মোট অভ্যন্তর উৎপাদনের (‌জিডিপি)‌ বৃদ্ধির হার ৬ শতাংশে দাঁড়াবে বলে মনে করছে আরবিআই। বিশেষজ্ঞদের মতে, চলতি অর্থবর্ষের শেষে জিডিপি বৃদ্ধির হার ৫ শতাংশে পৌঁছোতে পারে। আর্থিক বৃদ্ধির এই হার গত ১১ বছরে সর্বনিম্ন। 

রিজার্ভ ব্যাঙ্কের গভর্নর শক্তিকান্ত দাস। মুম্বইয়ে, বৃহস্পতিবার। ছবি: পিটিআই

জনপ্রিয়

Back To Top