আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ লক্ষ্য ‘‌মেক ইন ইন্ডিয়া’‌ এবং ‘‌আত্মনির্ভর ভারত’‌ প্রকল্পের প্রসার। কেন্দ্রীয় বাণিজ্য এবং শিল্প মন্ত্রকের বিশেষ পোর্টাল ‘‌গভর্নমেন্ট ই–মার্কেটপ্লেস’‌ বা জিইএম–এ বিক্রি হওয়া প্রতিটি পণ্যে গায়ে এখন থেকে সেটি কোন রাষ্ট্রে উৎপাদিত হয়েছে তা উল্লেখ করা বাধ্যতামূলক করল কেন্দ্র। বিক্রেতারা জিইএম–এ যে সব নতুন পণ্য রেজিস্ট্রার করবেন সেগুলির গায়ে সেই পণ্য কোথায় উৎপাদিত হয়েছে সেকথা উল্লেখ করতেই হবে। আর যে সব বিক্রেতারা আগেই পণ্য ওই পোর্টালে আপলোড করে ফেলেছেন, তাঁদেরকে মনে করিয়ে দেওয়া হয়েছে যে তাঁরাও যেন পণ্যটি কোন রাষ্ট্রে উৎপাদিত সেকথা উল্লেখ করেন। না হলে জিইএম থেকে তাঁদের সেই পণ্য সরিয়ে ফেলা হবে। তবে জিইএম–এর সিইও তাল্লেন কুমার স্পষ্ট করে দিয়েছেন, ভারতে উৎপাদিত না হলে সেই পণ্য মোটেও সরিয়ে ফেলা হবে না, কিন্তু সেটি কোথাকার সৃষ্টি সেই উল্লেখ রাখতেই হবে বিক্রেতাকে।

তিনি আরও বলেছেন, দেশে উৎপাদিত পণ্য এবং গণ আহরণ নীতি প্রয়োগের অংশ হিসেবেই এই ব্যবস্থা করা হয়েছে। পৃথিবীর প্রায় প্রতিটি দেশই স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত পণ্যের প্রসারে জোর দিয়ে থাকে। এক্ষেত্রে ভারত কোনও বিশেষ ব্যবস্থা নেয়নি বলেই দাবি করেছেন তিনি। এছাড়া পণ্যগুলি তৈরিতে কত শতাংশ স্থানীয় কাঁচামাল বা সহায়তা লেগেছে সেকথাও উল্লেখ করার ব্যবস্থা রয়েছে। পোর্টালে ‘‌মেক ইন ইন্ডিয়া’‌ জিনিসের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এর ফলে ক্রেতারা সেই সব পণ্যই কিনতে পারবেন যেগুলিতে ৫০ শতাংশ স্থানীয় যোগ রয়েছে। কেন্দ্রীয় বাণিজ্য এবং শিল্প মন্ত্রক বলেছে, এখন থেকে ক্রেতারা প্রথম শ্রেণির স্থানীয় সরবরাহকারীদের আলাদা করে দরপত্র হাঁকতে পারবেন। ২০০ টাকার নিচে দরপত্র হলে প্রথম এবং দ্বিতীয় শ্রেণির সরবরাহকারীরা সুযোগ পাবেন এবং তাঁদের মধ্যে প্রথম শ্রেণির সরবরাহকারীরা আগে সেই সুযোগ পাবেন। তবে ক্রেতারা কোনটা কিনবেন সেটা সম্পূর্ণ তাঁদের নিজস্ব পছন্দ বলেই জানিয়েছেন জিইএম–এর সিইও।
ছবি:‌ এএনআই  ‌‌‌‌‌‌‌‌

জনপ্রিয়

Back To Top