আজকাল ওয়েবডেস্ক: ‌মধ্যবিত্তদের জন্য এবার সুখবর। ২০১৮–১৯ সালের আগামী বাজেটে টুইস্ট আনতে চলেছে মোদী সরকার। সূত্রের খবর, ব্যক্তিগত কর আদায়ের ক্ষেত্রে সময়সীমা বাড়িয়ে দেওয়ার পাশাপাশি কর স্ল্যাবেও কিছু পরিবর্তন আনা হতে পারে। এ বছরের বাজেটে এরকমই কিছু বড় ঘোষণা হতে চলেছে বলে জানা গিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সহ অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি এবং অন্যান্য আধিকারিকদের সঙ্গে এ নিয়ে বৈঠকেও বসেছেন বলে জানা যাচ্ছে।  
সরকারি সূত্রের খবর, ৫ লক্ষের বেশি হলে করের আয়কর সীমা বছরে ২.‌৫ লক্ষ টাকা বাড়িয়ে ৩ লক্ষ টাকা করে দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হবে অর্থমন্ত্রকের পক্ষ থেকে। ২০১৮–১৯ সালের এই বাজেট মোদি সরকারের আমলে হওয়া পূর্ণ বাজেট হবে। এই বাজেটের মধ্য দিয়ে সরকার মধ্যবিত্ত, যার মধ্যে বেশিরভাগ বেতনভোগী ব্যক্তিরা রয়েছেন, তাঁদের স্বস্তি দেওয়ার জন্য বিচার–বিবেচনা করছেন। কেন্দ্র সরকার চাইছে মধ্যবিত্তদের ক্ষুদ্র মুদ্রাস্ফিতী থেকে রেহাই দিতে। আগের বাজেটে অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি আয়কর স্ল্যাবে কোনও বদল না করে ছোট করদাতাদের সুবিধার জন্য সবথেকে নিচের স্ল্যাবে আয়কর ১০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ করে দিয়েছিলেন। অথচ সবথেকে নীচের স্ল্যাবেই দেড় লক্ষ থেকে ৫ লক্ষ টাকা আয় করে এমন ব্যক্তিরাই রয়েছেন। অন্যদিকে কেন্দ্র সরকার জানিয়েছে, ২০১৭–১৮ তে যদি জিডিপি গ্রোথ বেড়ে ৬.‌৫ ফিসডি হয় তবেই ট্যাক্স স্ল্যাবে পরিবর্তন আনা হবে।  
সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, চলতি বছরের ১ ফেব্রুয়ারি পেশ হওয়া আগামী বাজেটে অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি কর স্ল্যাবে ব্যাপক পরিবর্তন নিয়ে আসতে পারে। পাঁচ থেকে ১০ লক্ষ টাকা বেতনভোগীদের ১০ শতাংশ করের মধ্যে নিয়ে আসা হবে। আবার ১০ থেকে ২০ লক্ষ টাকা যাঁরা আয় করেন তাঁদের ২০ শতাংশ এবং ২০ লক্ষ বা তার বেশি আয় যাঁরা করেন তাঁদের ৩০ শতাংশ করের মধ্যে নিয়ে আসার ভাবনাচিন্তা করা হয়েছে। সিআইআইয়ের এক আধিকারিক বলেন, ‘‌মুদ্রাস্ফিতীর জন্য মানুষের দৈনন্দিন জীবনে তার প্রভাব পড়েছে। নিম্ন আয় যাঁরা করেন তাঁদের স্বস্তি দেওয়ার জন্য আয়করের সীমা বাড়িয়ে দেওয়া উচিত। এছাড়াও আয়কর স্ল্যাবেও পরিবর্তন আনা দরকার বলে মনে করছি।’‌ 

 

 

অরুণ জেটলি। 
 
 

জনপ্রিয়

Back To Top