Inflation Urban Poor: করোনা অতিমারীতে মুদ্রাস্ফীতি সবচেয়ে বেশি প্রভাব ফেলেছে শহুরে দরিদ্রদের: রিপোর্ট

আজকাল ওয়েবডেস্ক: করোনা অতিমারীর সময় মুদ্রাস্ফীতি সবচেয়ে বেশি প্রভাব ফেলেছে শহুরে দরিদ্রদের, এমনটাই তথ্য উঠে এসেছে দু’টি গবেষণায়।

মুদ্রাস্ফীতির তিনটি উপকরণ- খাদ্য, জ্বালানি ও মূল মুদ্রাস্ফীতি অর্থাৎ খাদ্য ও জ্বালানিকে বাদ দিয়ে সমস্ত দ্রব্যের দাম। চলতি অর্থ বছরের শুরুতে খাদ্যের মুদ্রাস্ফীতি ৫ শতাংশ থেকে সেপ্টেম্বরে ০.৭ শতাংশে নেমে এসেছে। একই সময়ে জ্বালানির মুদ্রাস্ফীতি ৮ শতাংশ বেড়ে ১৩.৬ শতাংশ হয়েছে। মূল মুদ্রাস্ফীতি, খাদ্য এবং জ্বালানির মতো অস্থির দ্রব্যগুলিকে বাদ দিয়ে অন্যান্য দ্রব্যের মুদ্রাস্ফীতি ৬ শতাংশ বেড়েছে। 

এই মুদ্রাস্ফীতি সকলকে প্রভাবিত করলেও শহুরে দরিদ্রদের ওপর বিশেষ করে প্রভাব ফেলেছে। কারণ তাঁরা তাঁদের বাজেটের একটি বড় অংশ ব্যয় করে। জ্বালানির দামবৃদ্ধির পরেও তাঁরা এই ধরনের জিনিসে ব্যয় করতে বাধ্য হন। গ্রামের দরিদ্রদের প্রধানত খাদ্যের মূল্যবৃদ্ধিই প্রভাবিত করে। রিজার্ভ ব্যাঙ্কের দ্বি-বার্ষিক মুদ্রানীতির অক্টোবরের রিপোর্ট অনুযায়ী, এই বছর গড় মুদ্রাস্ফীতি উচ্চতর, আরও বিস্তৃত এবং অস্থির।

আরও পড়ুন:‌ ‘‌চোখ উপড়ে নেব, হাত কেটে ফেলব’‌, দলীয় কর্মীকে হেনস্তায় কংগ্রেসকে হুঁশিয়ারি হরিয়ানার বিজেপি নেতার 

ক্রিসেলের গবেষকরা বিভিন্ন গোষ্ঠীর ওপর মুদ্রাস্ফীতির প্রভাবকে আলাদা করার জন্য একটি আকর্ষণীয় গবেষণা করেছেন। ন্যাশনাল স্যাম্পল সার্ভে অর্গানাইজেশনের ডেটা ব্যবহার করে তাঁরা জনসংখ্যাকে ব্যয়ের দ্বারা তিনটি ভাগে ভাগ করেছেন। ২০ শতাংশ কম আয়, ৬০ শতাংশ মধ্যবিত্ত ও ২০ শতাংশ গ্রাম ও শহরের উচ্চ আয় যুক্ত। দেখা গিয়েছে, অতিমারীর সময় এবং তারপরেও শহুরে দরিদ্ররা মুদ্রাস্ফীতির ফলে সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত হয়েছেন। পাশাপাশি গ্রামীণ দরিদ্ররাও যথেষ্ট মুদ্রাস্ফীতিতে প্রভাবিত হয়েছেন। খাদ্যশস্য, জ্বালানি এবং শাকসবজি গ্রামীণ এবং শহুরে উভয়েরই ব্যয়ের প্রধান ক্ষেত্র। জ্বালানির মুদ্রাস্ফীতি খাদ্যের কম মূল্যবৃদ্ধির দ্বারা পূরণ করা যেতে পারে। কিন্তু দেখা গিয়েছে গ্রামীণ এলাকায় ১০টির মধ্যে ৬টি দ্রব্যের দাম ৬ শতাংশের বেশি বেড়েছে। শহরাঞ্চলে অন্তত ৫টির দাম বেড়েছে। এছাড়া শহরাঞ্চলের মানুষদের অন্যান্য খরচ তো বেড়েছেই। যার ফলে বোঝা যাচ্ছে মূল্যবৃদ্ধির চাপ কতটা দরিদ্রদের প্রভাবিত করেছে।

আকর্ষণীয় খবর