‌আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ আগামী বছর লোকসভা নির্বাচন। তার আগে এ বছরই শেষবারের জন্য পূর্ণাঙ্গ বাজেট পেশ করতে পারবেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি। এবার তিনি কীসে গুরুত্ব দেবেন তা নিয়ে নানা মহলে জল্পনা শুরু হয়েছে। অধিকাংশ পণ্য এবং পরিষেবার ওপর ধার্য কর ঠিক করছে জিএসটি পরিষদ। তাই এবার জিনিসের দাম বাড়া–কমা নিয়ে আগ্রহ কমই থাকবে। এই সুযোগে দেশে কর্মসংস্থান বাড়ানোর নির্দিষ্ট রূপরেখা ঘোষণা করতে পারেন জেটলি। সূত্রের খবর, অর্থমন্ত্রকের কর্তাব্যক্তিদের সঙ্গে বিভিন্ন মহলের এই নিয়ে কথাবার্তা শুরু হয়েছে। শুধু বেসরকারি কর্মসংস্থানই নয়, সরকারের নানা দপ্তরকেও এই নিয়ে প্রস্তাব পাঠাতে বলা হয়েছে। নোট বাতিলের জেরে অসংগঠিত ক্ষেত্রের বহু মানুষ কাজ হারিয়েছিলেন। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলেও অসংগঠিত ক্ষেত্রে আর নতুন করে কাজের সুযোগ বাড়েনি। তাছাড়া জিএসটি–রও প্রভাব মুক্ত হতে পারেনি ব্যবসায়ী মহল। 
এই অবস্থায় বেশ কিছু পদ্ধতি অবলম্বন গ্রহণ করতে পারে সরকার। সুইৎজারল্যান্ডেই চালু রয়েছে কাজ ভাগাভাগি ব্যবস্থা। মানে একটি কাজ বছরে ভাগাভাগি করে নেবেন দু’‌জন। ধরা যাক কোনও একজন বছরের ২০০ দিন কাজ করবেন। সেই কাজ বাকি ১৬৫ দিন করবেন অন্যজন। এই অবস্থায় করছাড় দিয়ে বাজারকে চাঙ্গা করার পথে হাঁটতে পারেন তিনি। তাছাড়া করছাড় দিয়েও বাজারকে চাঙ্গা করার সংস্থান রয়েছে। আয়কর আইনের ৮০জেজেজেএএ আইন অনুযায়ী তা করাই যায়। 

জনপ্রিয়

Back To Top